Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Vladimir Putin

‘ভারত-চিন সম্পর্কে নাক গলাবে না রুশ’, ত্রিকোণ বন্ধুত্বের সমীকরণে স্পষ্ট বার্তা পুতিনের

পাকিস্তান প্রসঙ্গে পুতিন বলেন, "ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যেকার সীমান্ত সমস্যা বিষয়ে আমরা অবগত। তবে পাকিস্তান চিনের নিয়ন্ত্রনাধীন এমনটা আমরা মনে করি না।"

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৬, ১৬:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৬, ১৬:৩৬

options
link
‘ভারত-চিন সম্পর্কে নাক গলাবে না রুশ’, ত্রিকোণ বন্ধুত্বের সমীকরণে স্পষ্ট বার্তা পুতিনের zoom
ভারত ও চিনের 'সংবেদনশীল' দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কোনওভাবেই নাক গলাবে না রাশিয়া।

ভারত ও চিনের ‘সংবেদনশীল’ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কোনওভাবেই নাক গলাবে না রাশিয়া। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়ে দিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পাশাপাশি ভারতের কয়েক দশকের বন্ধুর বার্তা, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উভয়েই তাদের দীর্ঘদিনের সীমান্ত সংঘাত শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

বৃহস্পতিবার বিশ্বের শীর্ষ সংবাদমাধ্যমগুলিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নরেন্দ্র মোদি ও শি জিনপিংয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন পুতিন। বলেন, নয়াদিল্লি ও বেজিং উভয়ের সঙ্গে রাশিয়ার কয়েক দশকের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। একইসঙ্গে বলেন, “ভারত ও চিনের মধ্যেকার কূটনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত সংবেদনশীল ও বহুমাত্রিক। এতে হস্তক্ষেপ করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। এবং আমরাও আমাদের দুই বন্ধু ভারত-চিনের সঙ্গে সর্বদা যোগাযোগ রাখি।” তবে দুই দেশের যে সীমান্ত সমস্যা রয়েছে সেটা তাঁরা নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজছেন বলে জানান পুতিন। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারত ও চিনের কূটনৈতিক সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছেছিল। তবে ধীরে ধীরে সেই অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। সম্পর্ক পুনর্গঠনের জন্য ভারত ও চিনন গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

Advertisement

পুতিন জানান, “রাশিয়া দুই দেশের (ভারত-চিন) সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন করেছে। এটা স্বাভাবিকভাবেই ঘটেছিল। রাশিয়া ও ভারতের মধ্যেকার সম্পর্ক চিনকে বিচলিত করে না। একইভাবে চিনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কে ভারতও বিচলিত নয়।”

গত আগস্ট মাসে চিনের তিয়ানজিনে সাক্ষাৎ হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও শি জিনপিংয়ের। ট্রাম্পের লাগামছাড়া শুল্কের বিরুদ্ধে এই বৈঠক নজর কেড়েছিল বিশ্বের। সেখানে মোদি ও শি জানিয়েছিলেন, দুই দেশ উন্নয়নের অংশীদার একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। এবং নিজেদের মধ্যকার মতপার্থক্য কোনওভাবেই বিবাদ নয়। দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে চাপানউতোর থাকলেও রাশিয়ার সঙ্গে যে দুই দেশের কোনও কূটনৈতিক সমস্যা নেই সে কথা স্পষ্ট করে পুতিন জানান, “রাশিয়া দুই দেশের (ভারত-চিন) সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন করেছে। এটা স্বাভাবিকভাবেই ঘটেছিল। রাশিয়া ও ভারতের মধ্যেকার সম্পর্ক চিনকে বিচলিত করে না। একইভাবে চিনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কে ভারতও বিচলিত নয়।”

শুধু তাই নয়, এই বৈঠকে পাকিস্তান ইস্যুতেও মুখ খুলেছেন পুতিন। অপারেশন সিঁদুরের সময় অভিযোগ উঠেছিল, আড়াল থেকে ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানকে ব্যবহার করেছিল চিন। এপ্রসঙ্গে পুতিন বলেন, “ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যেকার সীমান্ত সমস্যা বিষয়ে আমরা অবগত। তবে পাকিস্তান চিনের নিয়ন্ত্রনাধীন এমনটা আমরা মনে করি না। পাকিস্তান একটি বিশাল দেশ এবং বহু দেশের সঙ্গে এদের বহুমুখি সম্পর্ক রয়েছে।” তবে চিনা অস্ত্র প্রসঙ্গে বলেন, “ভারতের অবশ্যই উদ্বেগ রয়েছে। কারণ ইসলামাবাদের প্রায় ৮০ শতাংশ সামরিক সরঞ্জামই চিনের তৈরি। ফলে পাকিস্তানের কাছে চিন অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.