Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Trump Tariffs

‘সুপ্রিম’ নির্দেশে শুল্কবাণ প্রত্যাহারে বাধ্য ট্রাম্প, গুনবেন ১৭৫০০ কোটি ডলারের ক্ষতি!

অন্য দেশ থেকে আদায় করা শুল্কের টাকায় আমেরিকাকে মহান করার যজ্ঞে নেমেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্টের ইচ্ছায় জল ঢেলে দিয়েছে সেদেশের সুপ্রিম কোর্ট।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১৫:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১৫:৩২

options
link
‘সুপ্রিম’ নির্দেশে শুল্কবাণ প্রত্যাহারে বাধ্য ট্রাম্প, গুনবেন ১৭৫০০ কোটি ডলারের ক্ষতি! zoom
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল চিত্র।
Advertisement

অন্য দেশ থেকে আদায় করা শুল্কের টাকায় আমেরিকাকে মহান করার যজ্ঞে নেমেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্টের ইচ্ছায় জল ঢেলে দিয়েছে সেদেশের সুপ্রিম কোর্ট। বাধ্য হয়েই বিদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের উপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করছে ট্রাম্প প্রশাসন। শুল্ক দপ্তরের তরফ থেকে বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার থেকেই কর সংগ্রহ বন্ধ করা হবে। অর্থাৎ রুশ তেল কেনার ‘অপরাধে’ ভারতের উপর যে শুল্ক চাপানো হয়েছিল, মঙ্গলবার থেকে সেটা বন্ধ হয়ে যাবে।

গত শুক্রবার ট্রাম্পের চাপানো শুল্ককে অবৈধ বলে রায় দেয় মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট। তারপর তিনদিন কেটে গেলেও এই রায়ের প্রেক্ষিতে পদক্ষেপ করেনি ট্রাম্প প্রশাসন। অবশেষে সোমবার আমেরিকার শুল্ক এবং সীমান্ত সুরক্ষা দপ্তরের তরফ থেকে বিবৃতি জারি করা হয়। জানানো হয়েছে, ১৯৭৭ সালের ইন্টারন্যাশনাল এমারজেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট বা আইইইপিএ-র আওতায় যেসমস্ত কর চাপানো হয়েছিল, সেগুলি আর দিতে হবে না। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট দেশ বেছে বেছে যে কর বসিয়েছেন ট্রাম্প, সেগুলি বন্ধ। তবে সার্বজনীনভাবে চাপানো কর এখনও কার্যকর থাকবে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিগুলি নিয়ে প্রশ্ন বাড়ছে। ভারতের মতো যারা ট্রাম্পের সঙ্গে কার্যত দর কষাকষির পর চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে, তারা কি সুবিধা পাবে?

পরিবর্তিত পরিস্থিতি যা দাঁড়াচ্ছে, তাতে ভারতের উপর আলাদা করে চাপানো কর আর গুনতে পারবে না ট্রাম্প প্রশাসন। বিশ্বের সমস্ত দেশের পণ্য়ের উপর ইতিমধ্যেই ১৫ শতাংশ কর চাপিয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। আমেরিকায় পণ্য আমদানি করতে গেলে সেই কর মেটাতে হবে। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, ট্রাম্প নতুন কর বসালেও মার্কিন অর্থনীতির বিরাট ক্ষতি এড়াতে পারবেন না। অসমর্থিত পরিসংখ্যান বলছে, আইইইপিএ-র আওতায় থাকা শুল্ক বাবদ প্রতিদিন ৫০ কোটি ডলার আদায় করত আমেরিকা।

ট্রাম্পের বসানো শুল্ককে (Trump Tariffs) বেআইনি আখ্যা দিয়েছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট। তাহলে এতদিন পর্যন্ত সংগ্রহ করা শুল্কের অর্থ কি ফিরিয়ে দেবে ট্রাম্প প্রশাসন? সেটা যদি হয় তাহলে ১৭ হাজার ৫০০ কোটি ডলার স্রেফ রিফান্ড করতেই খরচ হয়ে যাবে ট্রাম্পের ‘পকেট’ থেকে। অন্যদিকে, মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিগুলি নিয়েও প্রশ্ন বাড়ছে। ভারতের মতো যারা ট্রাম্পের সঙ্গে কার্যত দর কষাকষির পর চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে, তারা কি সুবিধা পাবে? চুক্তিতে নির্ধারিত শুল্কহার, নাকি সার্বজনীনভাবে বসানো শুল্কহার-কোনটা মানবে মার্কিন প্রশাসন? উত্তর অধরাই।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.