Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৬ জুলাই ২০২৬
Donald Trump

‘পানামা খাল ফেরত নেব’, অভিষেক ভাষণেই হুঁশিয়ারি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের

পানামা খাল পরিচালনা করছে চিন, এমনটাই অভিযোগ ট্রাম্পের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৫, ০৯:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৫, ০৯:০৩

options
link
‘পানামা খাল ফেরত নেব’, অভিষেক ভাষণেই হুঁশিয়ারি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট পদে বসার প্রথম দিনেই সরাসরি পানামা খাল ফেরত নেওয়ার বার্তা ডোনাল্ড ট্রাম্পের। পানামা খালে চিনা আধিপত্যের অভিযোগ তুলে তাঁর দাবি, পানামা খাল হস্তান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি। তাই আমেরিকা এই খাল ফিরিয়ে নেবে। ট্রাম্পের এহেন বার্তায় স্বাভাবিকভাবেই শোরগোল শুরু হয়েছে। যদিও আমেরিকার অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে পানামা সরকার।

গত ২০ জানুয়ারি ৪৭ তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পর অভিষেক ভাষণে তিনি বলেন, “বিপুল অর্থ খরচ করার পাশাপাশি ৩৮ হাজার প্রাণের বিনিময়ে আমরা এই পানামা খাল তৈরি করেছিলাম। যা পানামাকে উপহার দেই আমরা। তবে আমাদের সঙ্গে প্রতারণা হয়েছে। পানামা যে কথা দিয়েছিল তা রাখেনি। আমাদের থেকে অতিরিক্ত কর আদায় করা হচ্ছে।” শুধু তাই নয়, পানামা খাল সরাসরি চিন পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ তুলেন ট্রাম্প। বলেন, “আমরা এই খাল চিনকে দেইনি, দিয়েছিলাম পানামাকে ফলে এটা আমরা ফেরত নেব।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্য দিয়ে নির্মিত দুই মহাসাগরের সংযোগ পথ পানামা খাল বিশ্ব বাণিজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ৮০ কিমি দীর্ঘ এই খাল নির্মাণের ফলে দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ উপকূল আর ঘুরতে হয় না জাহাজগুলিকে। ফলে সময়ের পাশাপাশি জ্বালানিও বাঁচে। ১৯১৪ সালে আমেরিকা এই খাল নির্মাণের পর দীর্ঘ বছর পানামা ও আমেরিকা যৌথভাবে খালটি পরিচালনা করে পরে ১৯৯৯ সালে খালটি পুরোপুরি পানামা সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বর্তমানে বিশ্বের ৫ শতাংশ পণ্যে পরিবহণ করা হয় এই খাল পথে। তবে অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ব বাণিজ্যের লক্ষ্যে চিনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ-এর (বিআরআই) মাধ্যমে এই খাল পরিচালনায় প্রভাব বাড়াতে শুরু করেছে চিন। তাতেই ক্ষুব্ধ আমেরিকা।

তবে এই খাল নিয়ে ট্রাম্পের যাবতীয় অভিযোগ খারিজ করেছেন পানামার প্রেসিডেন্ট হোসে রাউল মুলিনো। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি দাবি করেন, আমেরিকা সহ গোটা বিশ্বের বাণিজ্যের স্বার্থে দায়িত্ব সহকারে পানামা খাল পরিচালনা করছে তাঁর দেশ এবং সেটা তারা ভবিষ্যতেও করতে থাকবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.