Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Greenland

ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ! গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে সামরিক বিমান পাঠাচ্ছে আমেরিকা, পালটা পদক্ষেপ ডেনমার্কের

গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সেনাঘাঁটি পিতুফিকে আগেও সামরিক বিমান পাঠিয়েছে আমেরিকা। সামরিক কার্যকলাপ চালিয়েছে নোরাডও। কিন্তু এখন পরিস্থিতি ভিন্ন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৫:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৫:৫৪

options
link
ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ! গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে সামরিক বিমান পাঠাচ্ছে আমেরিকা, পালটা পদক্ষেপ ডেনমার্কের zoom

গ্রিনল্যান্ড দখল করতে বদ্ধপরিকর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হুমকি এবং পালটা হুমকিতে ক্রমেই ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ। এই পরিস্থিতিতে গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে সামরিক বিমান পাঠাচ্ছে আমেরিকা!

সোমবার নর্থ আমেরিকান এরোস্পেস ডিফেন্স কমান্ড (নোরাড)-এর তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, গ্রিনল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিম উপকূলের পিতুফিকে যে মার্কিন সেনাঘাঁটি রয়েছে, সেখানেই বিমানগুলিকে মোতায়েন করা হবে।  অন্যদিকে, পালটা পদক্ষেপ করেছে গ্রিনল্যান্ডের ‘অভিভাবক’ ডেনমার্কও। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই তারা গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনাবাহিনী পাঠিয়েছে। তাহলে কি শীঘ্রই বাঁধতে চলেছে যুদ্ধ? টান টান উত্তেজনার মধ্যে এই প্রশ্নটিই এখন জোরাল হচ্ছে।

Advertisement

এখানে বলে রাখা ভালো, গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সেনাঘাঁটি পিতুফিকে আগেও সামরিক বিমান পাঠিয়েছে আমেরিকা। সামরিক কার্যকলাপ চালিয়েছে নোরাডও। কিন্তু এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। গ্রিনল্যান্ড দখলে নাছোড় মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ঘনিয়েছে যুদ্ধের মেঘ। সুতরাং এই পরিস্থিতিতে পিতুফিকে আমেরিকার যুদ্ধবিমান মোতায়েন যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

আমেরিকার নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ‘ন্যাটো’র অন্যতম সদস্য ডেনমার্ক। এই ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে গ্রিনল্যান্ড। আর গ্রিনল্যান্ডে রয়েছে মার্কিন সেনাঘাঁটি। শুধু তাই নয়, সেখানে মোতায়েন করেছে আমেরিকার সেনাও। কিন্তু এই যুদ্ধ আবহে কেন নোরাড (আমেরিকা এবং কানাডার যৌথ সামরিক কার্যকলাপ পরিচালনা কেন্দ্র) পিতুফিক ঘাঁটিতে তাদের যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে, তা স্পষ্ট নয়। এ প্রসঙ্গে খোলসা করে তারা কিছু জানায়ওনি। তবে সমাজমাধ্যমে তারা ঘোষণা করেছে, পূর্বপরিকল্পিত কার্যক্রম অনুযায়ী সেখানে সামরিক বিমান পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু কী ধরনের কার্যক্রম? সেটা তারা জানায়নি। 

গ্রিনল্যান্ডকে বারবার হুমকি দিয়ে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সোমবার ‘রুশ জুজু’ দেখিয়ে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে নয়া দাবি করেন ট্রাম্প। তাঁর কথায়, “আমেরিকার নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটো রুশ আগ্রাসনের ঝুঁকি নিয়ে ডেনমার্ককে বহু বছর ধরে সতর্ক করে এসেছে। কিন্তু তা কানে তোলেনি ডেনমার্ক।” এরপরই তিনি হুঁশিয়ারি দেন, ‘এবার সময় এসেছে…’ কিন্তু এর অর্থ কী? কীসের সময় এসেছে? তা স্পষ্ট করেননি ট্রাম্প। তারপর থেকে উদ্বেগ বাড়ছে। তাছাড়া গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বিরুদ্ধাচারণ করায় কয়েকদিন আগেই ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিটেন, নেদারল্যান্ড এবং ফিনল্যান্ডের পণ্যের উপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প।

এদিকে ট্রাম্পের ‘রক্তচক্ষু’কে পরোয়া না করেই পালটা হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে ডেনমার্ক। তারা জানিয়েছে, ট্রাম্পের বাহিনী গ্রিনল্যান্ড আক্রমণ করলে ডেনমার্কও চুপ করে বসে থাকবে না। প্রতিরক্ষার স্বার্থে আগে গুলি করা হবে। তার পর কথা! অন্যদিকে মার্কিন শুল্কবাণকে উড়িয়ে দিয়েছে ইউরোপের দেশগুলিও। রবিবার এক বার্তায় তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্রিনল্যান্ড এবং ডেনমার্কের মানুষের পাশে রয়েছে তারা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.