Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১ জুলাই ২০২৬
Bangladesh

হাসিনা সরতেই বাংলাদেশের পাশে আমেরিকা, ইউনুস-যোগেই বন্ধুত্ব?

বৃহস্পতিবার নোবেলজয়ী ইউনুসের নেতৃত্বে শপথ নেওয়ার কথা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৪, ১৪:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৪, ১৪:০৭

options
link
হাসিনা সরতেই বাংলাদেশের পাশে আমেরিকা, ইউনুস-যোগেই বন্ধুত্ব? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্যাপক গণ আন্দোলনের জেরে বাংলাদেশে পতন ঘটেছে শেখ হাসিনা সরকারের। পদত্যাগ করে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন হাসিনা। কিন্তু অশান্তি থামেনি বাংলাদেশে। জায়গায় জায়গায় হামলা, ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এই টালমাটাল পরিস্থিতিতেই আজ, বৃহস্পতিবার নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে শপথ নেওয়ার কথা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের। আর এই সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে আমেরিকা। ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কের শীতলতার কথা কখনই চেপে রাখেননি মুজিবকন্যা। ফলে কূটনীতিকদের ধারণা, হাসিনা গদিচ্যুত হতেই ঢাকার দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়েছে আমেরিকা।

হাসিনা ক্ষমতা হারানোর পর বাংলাদেশের রাশ কার হাতে থাকবে তা নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলেছে। অবশেষে আন্দোলনকারী ছাত্রদের দাবি মেনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসাবে ইউনুসের নাম ঘোষণা করা হয়। তাঁর নেতৃত্বেই এই সরকার বাংলাদেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে কাজ করবে। এনিয়ে মার্কিন বিদেশ দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেন, “বাংলাদেশের পরিস্থিতির উপর আমরা প্রতিনিয়ত নজর রাখছি। মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কীভাবে কাজ করে সেটাও আমরা পর্যবেক্ষণ করব। আমরা এই সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। আমরা চাই বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ উন্নত হোক।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বলে রাখা ভালো, নোবেলজয়ী ইউনুসকে সবসময়ই সমর্থন জানিয়েছে আমেরিকা। চলতি বছরেই এই অর্থনীতিবিদ-সহ চারজনকে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় ছমাস কারাদণ্ড দেওয়া হয়। কিন্তু জামিন পেয়ে যাওয়ায় তাঁদের হাজতবাস হয়নি। তবে ইউনুসের কারাদণ্ডের নির্দেশের পর তৎকালীন হাসিনা সরকারের তীব্র বিরোধিতা করেছিল আমেরিকা। আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার আহ্বান জানিয়েছিল তারা। 

অন্যদিকে, হাসিনার সঙ্গে আমেরিকার আদায়-কাঁচকলায় সম্পর্কের কথা বিশ্বের অজানা নয়। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বহুবার অভিযোগ জানিয়েছিলেন যে, তাঁকে গদিচ্যুত করতে চায় আমেরিকা। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনের সময় গণতন্ত্র ও মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে ঢাকাকে তোপ দেগেছিল ওয়াশিংটন। এছাড়া সেন্ট মার্টিন দ্বীপে সেনাঘাঁটি তৈরির আবেদন জানিয়েছিল মার্কিন প্রশাসন। যা ফিরিয়ে দেন হাসিনা। তার পর থেকেই দুদেশের সম্পর্কের ফাটল চওড়া হয়। ফলে এবার হাসিনা চলে যাওয়ার পর বাংলাদেশে কতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারে সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।

[আরও পড়ুন: বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানের বিবৃতি, কী বলছে ইসলামাবাদ?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.