সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের উপরে বিরক্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনই দাবি মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিওর। তিনি জানিয়েছেন, ‘স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার’ ভারত রাশিয়ার থেকে তেল কেনা অব্যাহত রেখেছে। যা ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে মস্কোকে রসদ জুগিয়ে গিয়েছে। তবে এটাই তাঁর বিরক্তির একমাত্র কারণ নয়। রুবিওর দাবি, কারণ আরও রয়েছে।
ফক্স রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, অন্য দেশ থাকতেও রাশিয়ার থেকে তেল কেনা অব্যাহত রেখেছে নয়াদিল্লি। যা পুতিনের দেশকে ইউক্রেনের সঙ্গে লড়াই জুগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তহবিল ভরাতে সাহায্য করেছে। রুবিওর কথায়, ”ভারতের প্রচুর জ্বালানি-চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তেল, কয়লা, গ্যাস এবং অন্যান্য জিনিসপত্র কেনার ক্ষমতাও, যা অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য অন্যান্য দেশের মতোই প্রয়োজন। তারা রাশিয়া থেকে তেল কেনে, কারণ রাশিয়ার তেল অনুমোদিত এবং সস্তা। নিষেধাজ্ঞার কারণেই ওরা বিশ্ববাজারের দামের নিচেই বিক্রি করছে। দুর্ভাগ্যবশত, এটা রাশিয়ার যুদ্ধ প্রচেষ্টাকে টিকিয়ে রাখতেই সাহায্য করছে। তবে এটাই ভারতের প্রতি আমাদের একমাত্র বিরক্তির একমাত্র কারণ নয়।”
তবে এটাই একমাত্র কারণ নয় ট্রাম্পের বিরক্তির। ১ আগস্ট থেকে ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এদিকে বাণিজ্য চুক্তিও থমকে রয়েছে। এর কারণ আমেরিকা চায় কৃষি, দুগ্ধ-সহ খাদ্য উৎপাদন ক্ষেত্রে ঢুকে পড়তে। কিন্তু বিশেষ করে কৃষি যদি মার্কিন পুঁজিপতিদের হাতে চলে গিয়ে কৃষিক্ষেত্রে কর্পোরেটাইজেশন হয়ে যায় তাহলে ভারতীয় কৃষিজীবীদের গ্রাসাচ্ছেদনই সমস্যায় পড়ে যাবে। আর এটা মোদি সরকারও ভালোই জানেন। অতীতে কৃষি বিল নিয়ে কী ঘটেছে সেটাও কেন্দ্র ভোলেনি। ফলে কোনওভাবেই এই চাপে মাথা নত করতে রাজি নয় তারা। আর এটাও বিরক্তি বাড়াচ্ছে ট্রাম্পের।
সর্বশেষ খবর
-
যুদ্ধ আবহে চরমে জ্বালানি-জ্বালা! ‘২০৪৭-এ বিকশিত ভারত গড়বই’, লালকেল্লায় ‘আত্মনির্ভরতা’র বার্তা মোদির
-
‘কর্মযোগ’ ও ‘স্বাধীনতা’-র ধারণা দিয়েছিলেন ঋষি অরবিন্দ
-
‘তেল পাবেন না, গ্যাস পাবেন না, মানুষকে ভয় দেখিয়েই আনন্দ’, লালকেল্লায় বিরোধীদের বিঁধলেন মোদি
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর