Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৫ জুলাই ২০২৬
Donald Trump

‘১০০ গুণ বেশি শক্তিশালী’, নিজের নামে আমেরিকার বৃহত্তম রণতরীর নাম রাখলেন ট্রাম্প

চিন নয়, সকলের বিরুদ্ধেই এই পদক্ষেপ, বলছেন ট্রাম্প।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫, ২১:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫, ২১:১৫

options
link
‘১০০ গুণ বেশি শক্তিশালী’, নিজের নামে আমেরিকার বৃহত্তম রণতরীর নাম রাখলেন ট্রাম্প zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যুদ্ধজাহাজগুলি সেকেলে হয়ে গিয়েছে। তাই এবার নতুন ধরনের রণতরী তৈরি করবে আমেরিকা। প্রচুর অস্ত্রশস্ত্রবাহী এই যুদ্ধজাহাজগুলিকে ট্রাম্প-শ্রেণির বলে ধরা হবে। ফ্লোরিডায় নিজের মার-আ-লাগোর বাড়ি থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমনই ঘোষণা করলেন। জানিয়ে দিলেন, আপাতত দু’টি নতুন রণতরীর নির্মাণে সম্মতি দিয়েছেন তিনি। আগামিদিনে ২০ থেকে ২৫টি রণতরী নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। নতুন ধরনের এই রণতরীকে বৃহত্তর, দ্রুততর ও সাধারণ মার্কিন রণতরীর চেয়ে ১০০ গুণের বেশি শক্তিশালী বলে বর্ণনা করেছেন তিনি।

এদিন ট্রাম্পকে বলতে শোনা গিয়েছেন, ”আপনারা জানেন, আমাদের অত্যন্ত প্রয়োজন যুদ্ধজাহাজের। আমরা ১৯৯৪ সালের পর থেকে কোনও যুদ্ধজাহাজ তৈরি করিনি। আমাদের বেশ কিছু রণতরী পুরনো, ক্লান্ত ও সেকেলে হয়ে পড়েছে।” আড়াই বছরের মধ্যেই দু’টি রণতরী তৈরি হয়ে যাবে বলে আশা ট্রাম্পের। কেমন হবে নতুন রণতরীগুলি? ট্রাম্প জানিয়েছেন, সেগুলি হবে ৩০,০০০ এবং ৪০,০০০ টনের। লেজার ও শব্দের চেয়ে দ্রুতগামী ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে পারবে এই যুদ্ধজাহাজগুলি। পাশাপাশি হেভি মেশিনগানও চালানো যাবে এর মাধ্যমে। সেই সঙ্গেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণের ভগ্নাংশ ব্যয়ের মাধ্যমেই যুদ্ধের সদর্থক ফলাফল অর্জন করা সম্ভব হবে। এরই সঙ্গে এদিন ট্রাম্প বলেন, “আমাদের সাবমেরিনগুলি বাদ দিলে এই অত্যাধুনিক জাহাজগুলি সাধারণ যুদ্ধজাহাজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হতে চলেছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

হঠাৎ কেন রণতরী নিয়ে এমন পদক্ষেপ ট্রাম্পের? চিনই কি তাঁর প্রধান লক্ষ্য? ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির কথা মেনে নিয়েও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়ে দিয়েছেন এই পদক্ষেপের অন্তরালে চিনকে লক্ষ্য করে কিছু ভাবা হয়নি। তিনি বলেন, ”চিন নয়, এটা সবার বিরুদ্ধেই একটি পালটা পদক্ষেপ। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আমার খুবই ভালো সম্পর্ক। আমরা শক্তি বাড়িয়ে শান্তি বজায় রাখতে চাই।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.