Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Bunker Buster Bombs

লক্ষ্য হরমুজ উদ্ধার, ইরানে ফের ৫০০০ পাউন্ডের ‘বাঙ্কার বাস্টার’ ফেলল আমেরিকা

মিত্রশক্তির সাহায্য না পাওয়ার পর একাই হরমুজ দখলের বার্তা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই লক্ষ্যেই এই অভিযান বলে জানা যাচ্ছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২৬, ১২:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২৬, ১২:৫১

options
link
লক্ষ্য হরমুজ উদ্ধার, ইরানে ফের ৫০০০ পাউন্ডের ‘বাঙ্কার বাস্টার’ ফেলল আমেরিকা zoom
ইরানে ফের বাঙ্কার বাঙ্কার বাস্টার হামলা আমেরিকার।

ইরানের মাটিতে ফের ভয়ংকর হামলা আমেরিকার (US-Iran Conflict)। হরমুজকে ইরানের হাত থেকে মুক্ত করতে ফের ৫০০০ পাউন্ডের বাঙ্কার বাস্টার (Bunker Buster Bombs) হামলা মার্কিন সেনার। হরমুজ প্রণালীর কাছে ইরানে মিসাইল লঞ্চার লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। সম্প্রতি এই তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড। মিত্রশক্তির সাহায্য না পাওয়ার পর একাই হরমুজ দখলের বার্তা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই লক্ষ্যেই এই অভিযান বলে জানা যাচ্ছে।

বুধবার এক্স হ্যান্ডেলে এই বিষয়ে বার্তা দিয়েছে আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড। যেখানে জানানো হয়েছে, ‘কয়েক ঘণ্টা আগে মার্কিন সেনা হরমুজ প্রণালীর কাছে ইরানের উপকূল বরাবর ৫ হাজার পাউন্ডের একাধিক ডিপ পেনিট্রেটর বোমা হামলা চালিয়েছে। যার লক্ষ্য ছিল ইরানের সামরিক ঘাঁটি। এখান থেকেই বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। এই ঘাঁটিতে থাকা ইরানের জাহাজ ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলি আন্তর্জাতিক নৌচলাচলে ঝুঁকি তৈরি করছিল।’ সোশাল মিডিয়ায় বার্তার পাশাপাশি হরমুজের ম্যাপের ছবি ও হামলার নির্দিষ্ট ঠিকানাও তুলে ধরে লেখা হয়েছে, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। যা ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার অভিযানের পোশাকি নাম।

Advertisement

উল্লেখ্য, আমেরিকার ও ইজরায়েলের তরফে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর গোটা মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে কার্যত তাণ্ডব চালাচ্ছে ইরান। তবে যুদ্ধে তেহরানের মূল রণনীতি তৈল ধমনী হরমুজকে অচল করে দেওয়া। সে লক্ষ্যে এখনও পর্যন্ত সফল খেমেনেইয়ের দেশ। হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়েছে এক লিটার তেলও পশ্চিম এশিয়ার বাইরে যাবে না। বিশ্বের প্রায় ২৫ শতাংশ তৈল বাণিজ্যের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যথেষ্ট চাপে আমেরিকার। সরবরাহে ঘাটতির পাশাপাশি তেলের দামও চড়চড়িয়ে বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক চাপে মুখে পড়েছে আমেরিকা।

হরমুজে যুদ্ধ জাহাজ পাঠানোর জন্য মিত্র শক্তির কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের আবেদনে কেউ সাড়া দেননি। ব্রিটেন, ফ্রান্স, ভারত কেউ সাড়া না দেওয়ায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ হন ট্রাম্প।

এই অবস্থায় হরমুজে যুদ্ধ জাহাজ পাঠানোর জন্য মিত্র শক্তির কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের আবেদনে কেউ সাড়া দেননি। ব্রিটেন, ফ্রান্স, ভারত কেউ সাড়া না দেওয়ায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ হন ট্রাম্প। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ন্যাটোকে নিশানায় নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘প্রতিবছর এই দেশগুলিকে রক্ষা করতে আমেরিকা কয়েকশো বিলিয়ন ডলার খরচ করে, অথচ এর বিনিময়ে প্রয়োজনীয় সমর্থনটুকুও পায় না।’ কড়া সুরে তিনি জানান, ‘আমরা একাই যথেষ্ট সাফল্য অর্জন করেছি। তাই ন্যাটো দেশগুলির সাহায্যের আর প্রয়োজন নেই। আমরা তা চাইও না। জাপান, অস্ট্রেলিয়া বা দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমি বলছি, আমাদের কারও সাহায্যের প্রয়োজন নেই! এই বিষয়ে আপনাদের মনোযোগের জন্য ধন্যবাদ।’ ট্রাম্পের এই বার্তার পরই এবার হামলা চলল হরমুজের তীরে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.