Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
US bombed Kharg Island

ইরানের ‘মুকুটে’ হামলা আমেরিকার! ‘মধ্যপ্রাচ্যে অন্যতম ভয়ংকর বোমাবর্ষণ’, হুঙ্কার ট্রাম্পের

খার্গ দ্বীপের সব সামরিক ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্টের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১৯:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১৯:১০

options
link
ইরানের ‘মুকুটে’ হামলা আমেরিকার! ‘মধ্যপ্রাচ্যে অন্যতম ভয়ংকর বোমাবর্ষণ’, হুঙ্কার ট্রাম্পের zoom

ইরানের খার্গ দ্বীপে হামলা আমেরিকার (US bombed Kharg Island)। একে ‘মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম ভয়ংকর বোমাবর্ষণ’ বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশাল মিডিয়া ট্রুথ সোশালে একটি পোস্টে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ওই দ্বীপে থাকা ইরানের প্রতিটি সামরিক ঘাঁটিই গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

ট্রাম্প লিখেছেন, ‘কিছুক্ষণ আগে, আমার নির্দেশে আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ বোমাবর্ষণ ঘটিয়েছে। ইরানের ‘মুকুট’ খার্গ দ্বীপের সমস্ত সামরিক ঘাঁটিই গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’ তবে সেই সঙ্গেই তিনি জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত ওই দ্বীপের তেল শোধনাগারে হামলা করা হয়নি। কিন্তু হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল করতে না দিলে সেখানেও অচিরে হামলা করতে পারে ওয়াশিংটন।

Advertisement

উল্লেখ্য, ইরানের উপকূল থেকে ৩৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত খার্গ দ্বীপ। আয়তনে খুব বড় না হলেও এই দ্বীপই ইরানের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানি কেন্দ্র। এখান থেকেই যাবতীয় অপরিশোধিত তেল বিদেশে পাঠায় তেহরান। এখানে বড় আঘাত মানেই যে ইরানের অর্থনীতির ‘বুকে’ হামলা তা বলাই যায়। এবার ট্রাম্পের লক্ষ্যে সেই দ্বীপ। 

ইরানের অন্তত ১৫ হাজার ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা ও ইজরায়েল। এমনটাই সদ্য দাবি করেছে হোয়াইট হাউস। সেই সঙ্গেই তাদের দাবি, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে গিয়েছে। সেদেশের নতুন ‘সুপ্রিম লিডার’ মোজতবা খামেনেইও গুরুতর জখম। এহেন পরিস্থিতিতে খার্গ দ্বীপেও হামলা করল আমেরিকা। যাকে কেন্দ্র করে সংঘাতের মেঘ আরও গাঢ় হয়েছে। 

প্রায় ২ সপ্তাহ ধরে চলা ইরান যুদ্ধে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেল সংকট ভয়াবহ আকার নিয়েছে। ইরানের তরফে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে হরমুজ থেকে কোনও তেলবাহী জাহাজকে যেতে দেওয়া হবে না। ইরানের বাহিনী আইআরজিসি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, এক লিটার তেলও পশ্চিম এশিয়ার বাইরে যাবে না। পালটা আমেরিকা আগেই জানিয়েছে, হরমুজ বন্ধ করলে ভয়ংকর হামলার মুখে পড়তে হবে ইরানকে। এবার খার্গ দ্বীপে হামলা করে আমেরিকা সেই বার্তাই ফের দিল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.