Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Keir Starmer

কমছে গ্রহণযোগ্যতা, নিজের দলের চাপেই ইস্তফা ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের

এক দশকে সপ্তম প্রধানমন্ত্রী পেতে চলেছে ব্রিটেন। স্টার্মার যে ইস্তফা দেবেন, এই জল্পনা গত কয়েকদিন ধরেই চলছিল। অবশেষে সেটাকে সত্যি করে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেন কিয়ের স্টার্মার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৬, ১৬:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৬, ১৬:৫২

options
link
কমছে গ্রহণযোগ্যতা, নিজের দলের চাপেই ইস্তফা ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

জল্পনা ক্রমেই বাড়ছিল। অবশেষে ইস্তফা দিলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার। গ্রহণযোগ্যতা ক্রমশই কমছিল তাঁর। সেই কারণেই লেবার পার্টি তাঁকে আর ঝুঁকি নিতে রাজি হয়নি। ফলে এক দশকে সপ্তম প্রধানমন্ত্রী পেতে চলেছে ব্রিটেন।

জানা গিয়েছে, পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়ার আগে স্টারমার তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের বাসভবন থেকে বেরিয়ে আসেন। সঙ্গে সঙ্গে হর্ষধ্বনি ও করতালির শব্দে চারপাশ মুখরিত হয়ে ওঠে। বছর দুয়েক আগে ডাউনিং স্ট্রিটে তাঁর আগমনকে জীবনের ‘সবচেয়ে গর্বের মুহূর্ত’ হিসেবে উল্লেখ করেন স্টারমার। জানান, লাখ লাখ মানুষের জীবন পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়েই তিনি রাজনীতিতে এসেছিলেন।

Advertisement

রয়টর্সের রিপোর্টে আগেই জানানো হয়েছিল, স্টারমারের (Keir Starmer) লেবার পার্টির শতাধিক সাংসদ প্রকাশ্যে বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। ক্ষুব্ধ এই এমপিরা হাউস অফ কমন্সে দলের মোট আসনের প্রায় এক-চতুর্থাংশের প্রতিনিধিত্ব করেন। ফলে ক্ষোভ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠায় স্টারমারের বিদায় ছিল সময়ের অপেক্ষাই। অবশেষে সেটাই ঘটল। নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন স্টারমার।

পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়ার আগে স্টারমার তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের বাসভবন থেকে বেরিয়ে আসেন। সঙ্গে সঙ্গে হর্ষধ্বনি ও করতালির শব্দে চারপাশ মুখরিত হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ব্রিটেনে লেবার পার্টির বিরাট জয়ের নেপথ্য কারিগর ছিলেন স্টারমার। তবে তিনি প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর থেকে তাঁর জনপ্রিয়তা ক্রমশ হ্রাস পেতে শুরু করে। অসংখ্য বিতর্ক, নীতিবদল এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন তা পূরণে ব্যর্থ হন। এতে স্টারমারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এদিকে গত শুক্রবার উপনির্বাচনে স্টারমারের প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম জয়ী হওয়ায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর উপর চাপ বাড়ছিলই। ফলে সরে দাঁড়ানো ছাড়া যে তাঁর আর উপায় ছিল না, তেমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

ইংল্যান্ডের দলীয় নিয়মে নেতাকে অপসারণ করার কাজও অতি সহজ। কনজারভেটিভ পার্টিতে, যদি ১৫ শতাংশ এমপি কোনও নেতার বিরুদ্ধে চিঠি লেখেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা যেতে পারে। লেবার পার্টির ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটা অবশ্য ২০ শতাংশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.