Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
UAE

যুদ্ধের ইরানে হামলা চালিয়েছিল আমিরশাহীও! তছনছ হয় লাভান দ্বীপের তৈলঘাঁটি, প্রকাশ্যে রিপোর্ট

আমিরশাহীর লক্ষ্যবস্তু ছিল ইরানের লাভান দ্বীপের তৈল সংশোধনাগার। এটি ছিল ইরানের দশম বৃহত্তম তেল শোধনাগার। এখান থেকে দিনে প্রায় ৬০,০০০ ব্যারেল তেল উৎপাদিত হত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০২৬, ১৮:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০২৬, ১৮:৫৭

options
link
যুদ্ধের ইরানে হামলা চালিয়েছিল আমিরশাহীও! তছনছ হয় লাভান দ্বীপের তৈলঘাঁটি, প্রকাশ্যে রিপোর্ট zoom
এপ্রিলে ইরানের লাভান দ্বীপে হামলা চালিয়েছিল আমিরশাহী।

শুধু আমেরিকা ও ইজরায়েল নয়, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে ইরানের উপর সর্বশক্তি দিয়ে হামলা চালিয়েছিল আরব আমিরশাহী (UAE)। গত এপ্রিল মাসে ইরানের লাভান দ্বীপের তৈলঘাঁটিকে নিশানা করে আমিরশাহী। রীতিমতো ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয় সেখানে। আমেরিকার সঙ্গে সংঘর্ষবিরতি নিয়ে আলোচনার সময় অত্যন্ত গোপনে চলেছিল এই হামলা। সম্প্রতি সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে এক রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, গত ৮ এপ্রিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহী গোপনে ইরানের উপর হামলা চালায়। তাদের লক্ষ্যবস্তু ছিল ইরানের লাভান দ্বীপের তৈল সংশোধনাগার। এটি ছিল ইরানের দশম বৃহত্তম তেল শোধনাগার। এখান থেকে দিনে প্রায় ৬০,০০০ ব্যারেল তেল উৎপাদিত হত। শুধু তাই নয়, হামলা এমন সময়ে ঘটে যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটছিলেন।

Advertisement

এপ্রিল মাসে ইরানের লাভান দ্বীপের তৈলঘাঁটিকে নিশানা করে আমিরশাহী। রীতিমতো ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয় সেখানে। আমেরিকার সঙ্গে সংঘর্ষবিরতি নিয়ে আলোচনার সময় অত্যন্ত গোপনে চলেছিল এই হামলা।

হামলার পর ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি-র তরফে বিবৃতি দিয়ে হামলার কথা স্বীকার করে নেওয়া হয়। ইরান জানায়, লাভান দ্বীপের তেল শোধনাগারে কাপুরুষোচিত হামলা চালানো হয়েছে। কারা এই হামলা চালিয়েছে তা স্পষ্ট করে না বললেও, পালটা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দেয় ইরান। এর কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের তরফে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ও কুয়েতের উপর ব্যাপকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালান হয়। এরপর ইরানকে তোপ দেগে আমিরশাহীর তরফে জানানো হয়, তেহরান তাদের উপর ১৭টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৩৫টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

আমিরশাহীর তরফে ইরানে হামলার তথ্য সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। কারণ, এতদিন ধরে বিশ্ব জানত যুদ্ধ চলছে ইরানের বিরুদ্ধে ইজরায়েল ও আমেরিকার। মধ্যপ্রাচ্যের বাকি দেশগুলি যুদ্ধে প্রবেশ করেনি। বরং ইরান মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলির উপর হামলা চালিয়ে আসছে। সেখানে আমিরশাহীর তরফে ইরানের হামলার তথ্য স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্নের জন্ম দিতে শুরু করেছে। যদিও আমিরশাহী, ইরান বা আমেরিকার তরফে এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.