Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Donald Trump

ছয় বিচারপতির রায়েই শুল্কযুদ্ধে হার ট্রাম্পের, দু’জনকে নিয়োগ করেছিলেন স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্টই!

ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতিকে শুক্রবার বেআইনি ঘোষণা করেছে আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট। খারিজ করেছে ভারত-সহ বিভিন্ন দেশের উপরে তাঁর বসানো যাবতীয় শুল্ককে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ২১:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ২১:১৯

options
link
ছয় বিচারপতির রায়েই শুল্কযুদ্ধে হার ট্রাম্পের, দু’জনকে নিয়োগ করেছিলেন স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্টই! zoom
ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতিকে শুক্রবার বেআইনি ঘোষণা করেছে আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট। খারিজ করেছে ভারত-সহ বিভিন্ন দেশের উপরে তাঁর বসানো যাবতীয় শুল্ককে। শীর্ষ আদালতের ছ’জন বিচারপতি মার্কিন প্রেসিডেন্টের শুল্ক নীতির বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন। পক্ষে মত দিয়েছিলেন ৯ সদস্যের বেঞ্চের বাকি তিন জন। ঘটনাচক্রে, যে ছ’জন বিচারপতি ট্রাম্পের শুল্কনীতিকে ‘অসাংবিধানিক’ বলে মন্তব্য করেছেন, তাঁদের মধ্যে দু’জনকে নিয়োগ করেছেন স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্টই।

১৯৭৭ সালে তৈরি করা যে আইনের (ইন্টারন্যাশনাল এমার্জেন্সি ইকনমিক পাওয়ার্স অ্যাক্ট বা আইইইপি) আওতায় ট্রাম্প আমদানি শুল্কের হার বাড়িয়েছিলেন, সেটির ব্যাখ্যা দিয়েই শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, ওই আইন প্রেসিডেন্টকে এই অধিকার দেয়নি। এটি তাঁর এক্তিয়ার বহির্ভূত কাজ। কংগ্রেসের সায় ছাড়া অতিরিক্ত শুল্ক চাপাতে পারেন না তিনি। উল্লেখ্য, ওই আইনটি আমেরিকায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা হলে ব্যবহার করার কথা।

Advertisement

প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস রায়ে লিখেছেন, শুল্ক এবং কর সংক্রান্ত ক্ষমতা কংগ্রেসকেই দিয়েছে সংবিধান। প্রেসিডেন্টকে নয়। একই মর্মে নিজেদের মত প্রকাশ করেছেন বিচারপতি নেইল গোরসাচ, বিচারপতি এমি কোনি ব্যারেট, বিচারপতি সোনিয়া সোটোমায়োর, বিচারপতি এলিনা কাগন এবং বিচারপতি কেতানজি ব্রাউন জ্যাকসন। তাঁদের মধ্যে বিচারপতি গোরসাচ, বিচারপতি ব্যারেটকে নিয়োগ করেছিলেন ট্রাম্পই।

রায়কে হতাশাজনক তকমা দিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, ‘‘সিদ্ধান্তটি ভুল। তবে তাতে কিছু যায়-আসে না। আমাদের কাজ নিয়ে খুব গর্বিত।’’ শুধু তাই নয়, প্রায় সঙ্গে সঙ্গে জানিয়েছেন বিকল্প ব্যবস্থা তৈরি থাকার কথা। এমনকি তার কিছু পরে খারিজ হওয়া শুল্কের জায়গায় কিছু ক্ষেত্রে ১৫০ দিনের জন্য ১০% শুল্ক বসানোর নির্দেশও দিয়েছেন। সঙ্গে এটাও বলেছেন যে, ‘‘আগামী দিনে শুল্ক থেকে আরও অর্থ আদায় করব। এই রায় ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।’’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.