সম্প্রতি পর্তুগালে পাশ হয়েছে বোরখা নিষিদ্ধকরণ বিল। এই বিল অনুযায়ী, সে দেশে কোনও মহিলা প্রকাশ্যে বোরখা পরতে পারবেন না। পর্তুগাল সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেন জনপ্রিয় লেখিকা তসলিমা নাসরিন (Taslima Nasrin)। বললেন, “গোটা পৃথিবীতে বোরখা, নিকাব নিষিদ্ধ করা হোক।”
মঙ্গলবার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন তসলিমা। সেখানে তিনি লেখেন, ‘পর্তুগালের পার্লামেন্ট বোরখা, নিকাব-সহ জনসমক্ষে মুখ ঢেকে রাখার পোশাক নিষিদ্ধ করেছে। আমি এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। আমি চাই, পৃথিবীর সর্বত্র বোরখা ও নিকাব নিষিদ্ধ হোক। বোরখা আমার কাছে ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতীক নয়। এটি নারীর উপর চাপিয়ে দেওয়া পুরুষতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণের প্রতীক। নারীর শরীর ঢাকো, চুল ঢাকো, মুখ ঢাকো – শেষ পর্যন্ত তাঁকে এমনভাবে ঢেকে দাও, যেন তাঁর কোনও মুখ নেই। কোনও পরিচয় নেই। কোনও ব্যক্তিসত্তা নেই।’ তিনি আরও বলেন, “একজন পুরুষকে মানুষ হিসাবে পৃথিবীর সামনে উপস্থিত হতে দেওয়া হবে। আর একজন নারীকে কাপড়ের আড়ালে অদৃশ্য হয়ে চলতে হবে – এই বৈষম্য আর কতদিন? নারী কোনও লজ্জার বস্তু নয়। নারীর মুখ নিষিদ্ধ নয়, চুল নিষিদ্ধ নয়, শরীর নিষিদ্ধ নয়। নারীকে অদৃশ্য করার অপসংস্কৃতি বন্ধ হোক। বোরখা-নিকাব পৃথিবী থেকে বিদায় নিক।”
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার পর্তুগালের সংসদে পাশ হয় বোরখা নিষিদ্ধকরণ বিল। এই বিলে বলা হয়েছে, বিমান, দূতাবাসের মতো কূটনৈতিক ভবন এবং উপাসনালয় ছাড়া প্রকাশ্যে আর কোথাও বোরখা পরা যাবে না। আইন লঙ্ঘন হলে ৪ হাজার ইউরো (ভারতীয় মুদ্রায় ৪ লক্ষ টাকা) পর্যন্ত জরিমানা ধার্য করা হতে পারে। এছাড়াও কাউকে বোরখা পরতে বাধ্য করলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই বিলে। সূত্রের খবর, বিলটি আইনে পরিণত করার জন্য ইতিমধ্যেই প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠানো হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!