সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শিগগির ভারতে আসছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস। এখানে এলে তিনি দেখা করবেন ইসরোর সদস্যদের সঙ্গেও। নিজেই এমনটা জানিয়েছেন সদ্য মহাকাশ থেকে ফেরা নভোচর। প্রসঙ্গত, সুনীতার মা মার্কিন হলেও বাবা দীপক পাণ্ডে গুজরাটের বাসিন্দা।
নাসার স্পেসএক্স ক্রু-৯-এর এক সাংবাদিক সম্মেলনে সুনীতা বলেন, ”আশা করি আমি আমার বাবার দেশে ফিরব। এবং দেখা করব মানুষের সঙ্গে। ভাবতে উত্তেজনা রয়েছে ভারতীয় নভোচরদের বিষয়েও, যাঁরা আগামিদিনে ইসরো মিশনে যোগ দিতে চলেছেন।”
ইসরোর মহাকাশচারীদের সঙ্গে দেখা হলে তাঁদের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নেবেন বলে জানিয়েছেন সুনীতা উইলিয়ামস। তাঁর কথায়, ”আমার আশা, আমি আমার সফরের কোনও এক সময়ে ওঁদের সঙ্গে কথা বলব। এবং আমার অভিজ্ঞতা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেব।”
প্রসঙ্গত, পৃথিবীতে ফেরার পর প্রথমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুনীতাকে বলতে শোনা গিয়েছে, “যখনই হিমালয়ের উপর দিয়ে গিয়েছি, অসাধারণ দৃশ্য দেখেছি। উপর থেকে দেখে মনে পর্বতমালা যেন তরঙ্গ হয়ে ভারতে নেমে গিয়েছে। হিমালয়ের নিচেই প্রচুর রং। পূর্ব থেকে গুজরাট বা মুম্বইয়ের দিকে গেলে মাছধরা নৌকাও দেখতে পেয়েছি, সেটা অবশ্য ছোট্ট একটা পাখির মতো দেখতে লাগে। আলো ঝলমলে বড় শহর থেকে ধীরে ধীরে ছোট শহর হচ্ছে, বোঝা যায়। দিন হোক বা রাত, সবসময়ই ভারতকে দেখতে অসাধারণ লাগে।” তিনি জানিয়ে দেন, মহাকাশ থেকে ভারতকে দেখলে ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা’ বলেই মনে হয়।
প্রসঙ্গত, বারবার সম্ভাবনা তৈরি হলেও শেষপর্যন্ত সুনীতা উইলিয়ামসদের পৃথিবীতে ফিরতে ফিরতে লেগে যায় ২৮৬ দিন। অবশেষে ভারতীয় সময় ১৬ মার্চ ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ ফ্লোরিডার সমুদ্রে অবতরণ করে ‘ড্রাগন ফ্রিডম’। ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারীকে ঘিরে কৌতূহলের শেষ নেই।
সর্বশেষ খবর
-
৩ বছর একই অফিসে কর্মরত পঞ্চায়েত কর্মীদের বদলির নির্দেশ, ১১,১৫৪টি শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ
-
সাইয়ের ২০০ কোটির প্রকল্প আটকে দিয়েছিল তৃণমূল! মমতা-অরূপকে কাঠগড়ায় তুলে বিস্ফোরক দিন্দা
-
খালি পায়ে সাড়ে তিন হাজার সিঁড়ি বেয়ে তিরুপতিতে জাহ্নবী, কেন এই কঠিন ব্রত?
-
সই-কাণ্ডে ফিরহাদের বাড়িতে সিআইডি, মিটিংয়ে কী ঘটেছিল? জিজ্ঞাসাবাদ মেয়রকে
-
ভুল নিয়মে পরলেই ঘোর অমঙ্গল, শুক্রের কৃপা পেতে কীভাবে হিরে ধারণ করবেন?