সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গান্ধী জয়ন্তীর মাত্র তিনদিন আগেই লন্ডনে গান্ধীমূর্তি বিকৃত করল দুষ্কৃতীরা! জানা গিয়েছে, আগামী ২ অক্টোবর ট্যাভিস্টক স্কোয়্যারে ওই মূর্তির পাদদেশে গান্ধী জয়ন্তীর আয়োজন চলছিল। তারমধ্যেই গান্ধীমূর্তিতে কালি লেপে, অশোভন বার্তা লেখার অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে ভারতের হাই কমিশন।
গান্ধী জয়ন্তী অর্থাৎ ২ অক্টোবরকে অহিংস দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ। সেই উপলক্ষে প্রত্যেক বছরই ট্যাভিস্টক স্কোয়্যারের এই মূর্তিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। বাজানো হয় জাতির জনকের পছন্দের ভজনগুলিও। চলতি বছরেও একইভাবে এই মূর্তিকে ঘিরে উদযাপনের আয়োজন চলছিল। কিন্তু সেই প্রস্তুতির মাঝেই গান্ধীমূর্তিতে কালি লেপে দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। মূর্তিতে কালো কালি দিয়ে দুষ্কৃতীরা লিখেছে, ‘গান্ধী হিন্দুস্তানি সন্ত্রাসবাদী’।
সেই ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষুব্ধ লন্ডনের ভারতীয় হাই কমিশন। এক্স হ্যান্ডেলে গোটা ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তাদের তরফে বলা হয়, ‘ট্যাভিস্টক স্কোয়্যারে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তিকে যেভাবে অপমান করা হয়েছে তাতে আমরা অত্যন্ত আহত। গোটা ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। এহেন আচরণে কেবল গান্ধীমূর্তির অপমান হয়েছে তা নয়, বরং আঘাত হানা হয়েছে অহিংস নীতির উপরেও। স্থানীয় প্রশাসন এই ঘটনায় যেন দ্রুত পদক্ষেপ করে, এটাই আমাদের দাবি। আমরা চাই, অবিলম্বে আগের অবস্থানে ফেরাতে হবে গান্ধীমূর্তিকে।’ ইতিমধ্যেই মেট্রোপলিটান পুলিশ এবং স্থানীয় ক্যামডেন কাউন্সিলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে তারা। তবে এখনও কাউকে আটক করা হয়নি।
উল্লেখ্য, গান্ধীজির মৃত্যুর ২০ বছর পরে এই মূর্তি উন্মোচিত হয়। ইন্ডিয়া লিগের সহায়তায় ১৯৬৮ সালে তৈরি হয় ধ্যানস্থ ভঙ্গিতে গান্ধীর এই ব্রোঞ্জের মূর্তি। লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজে আইন পড়েছেন বাপু, সেই বিষয়টি স্মরণীয় করে রাখতেই মূর্তি তৈরি হয়। এবার সেই মূর্তিতেই আঘাত হানল দুষ্কৃতীরা।
সর্বশেষ খবর
-
মধ্যমগ্রামে মাছচোর! প্রায় চার হাজার টাকার ইলিশ মাছ হাতিয়ে উধাও বৃদ্ধা
-
স্কুলেই নির্যাতনের শিকার ছাত্রীরা! হেনস্তার পর ভিডিও আপলোডের অভিযোগে সাসপেন্ড ২ শিক্ষক
-
‘বাংলাদেশি ইলিশে’র নামে চড়া দামে বিকোচ্ছে ভুয়ো মাছ! থানায় অভিযোগ দায়ের
-
জন্মাষ্টমীর ভোগে তালের বড়া, সুগার থাকলে কি শুধু দেখেই কাটাবেন? খেতে পারেন এই ৩ কৌশলে!
-
শিলিগুড়ি থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাড়ি দুর্গার, কীভাবে সোশাল মিডিয়া ঘোরাল বাংলার প্রতিমাশিল্পীর ভাগ্য?