Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Sam Altman

৯ বছর ধরে বোনকে যৌন নির্যাতন! অল্টম্যানের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

দাদার বিরুদ্ধে আদালতে বোন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৫, ১৭:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৫, ১৭:১৭

options
link
৯ বছর ধরে বোনকে যৌন নির্যাতন! অল্টম্যানের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ওপেনএআই-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও স্যাম অল্টম্যানের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন তাঁরই বোন। অভিযোগ, দীর্ঘ ৯ বছর ধরে নাকি বোনকে যৌন নির্যাতন করেছেন অল্টম্যান। সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে ওপেনএআই সিইও বলেছেন, ‘এটা সম্পূর্ণ মিথ্যে অভিযোগ।’

ঠিক কী অভিযোগ? অ্যানি অল্টম্যানের অভিযোগ, ১৯৯৭ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তাঁর উপরে নির্যাতন চালিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর দাদা। মিসৌরিতে থাকার সময় নিজেদের বাড়িতেই থাকাকালীন এই নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। প্রথম যখন তিনি হেনস্তার শিকার হন, তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র তিন। তারপর থেকে লাগাতার সেই নির্যাতন চলেছিল। বারংবার নির্যাতনের শিকার হওয়ায় মানসিক অবসাদ, অস্থিরতার মতো সমস্যায় ভুগতে হয়েছিল। আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ৭৫ হাজার ডলার ক্ষতিপূরণের দাবি করেছেন তিনি।

Advertisement

সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অল্টম্যান। তিনি এক্স হ্যান্ডলে এই প্রসঙ্গে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। সেখানে তাঁকে লিখতে দেখা গিয়েছে, ‘আমাদের পরিবার অ্যানিকে ভালোবাসত। এবং ওর সুস্থতা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকত। পরিবারের কোনও সদস্য মানসিক সমস্যায় ভুগলে তার যত্ন করাটা অত্যন্ত কঠিন।’ সেই সঙ্গে অল্টম্যানের দাবি, ৯ বছরের ছোট বোনকে তাঁর পরিবারের তরফে মাসিক অর্থসাহায্য করা হত। এবং তাঁর বাড়িভাড়াও দিয়ে দেওয়া হত। কিন্তু এরপরও অ্যানি আরও বেশি অর্থসাহায্য চাইতেন। এবং তা না পেয়ে স্যাম ও পরিবারের বাকিদের বিরুদ্ধে অদ্ভুত সব অভিযোগ এনেছেন।

এই অভিযোগ অবশ্য নতুন নয়। এর আগে ২০২১ সালের নভেম্বরেও অ্যানি অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর দুই দাদা জ্যাক ও স্যাম তাঁকে ছোটবেলায় যৌন হেনস্তার পাশাপাশি মৌখিক, আর্থিক নানা উপায়ে হেনস্তা করেছিলেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.