সম্প্রতি অনূর্ধ্ব ১৬ কিশোর-কিশোরীদের সমাজমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে অস্ট্রেলিয়া। ক্যানবেরার সেই সিদ্ধান্তের প্রশংসায় এবার পঞ্চমুখ হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “আমরা আপনাদের থেকে শিক্ষা নিচ্ছি।”
বিদেশ সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে বুধবার অস্ট্রেলিয়ায় পা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।বৃহস্পতিবার মেলবোর্নে অস্ট্রেলিয়া-ভারত বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে বক্তৃতা করেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন অজি প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ। তথ্যপ্রযুক্তি এবং অনলাইন সুরক্ষার ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ, বিশেষ করে সমাজমাধ্যমের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শিশুদের সুরক্ষার লক্ষ্যে নেওয়া ব্যবস্থার প্রশংসা করেন মোদি। বলেন, “তথ্যপ্রযুক্তি ও সমাজমাধ্যম সংক্রান্ত আইনে আপনারা যেভাবে পরিবর্তন আনছেন এবং সমাজকে সুরক্ষা করছেন, তা বিশ্বের জন্য অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক। আপনাদের এসব প্রচেষ্টা থেকে আমরা অনেক কিছু শিখছি।” একইসঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গঠনে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকার উপরও আলোকপাত করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার তরুণদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান পারস্পরিক যোগাযোগ এমন এক মডেল তৈরি করছে, যা বিশ্বজুড়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।”
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, অনূর্ধ্ব ১৬ কিশোর-কিশোরীদের সমাজমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে অস্ট্রেলিয়া। গত বছরের ১০ ডিসেম্বর থেকেই কার্যকর হয়ে গিয়েছে এই আইন। কোনও প্রতিষ্ঠান এই আইন না মানলে সর্বোচ্চ ৫০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার জরিমানা দিতে হবে। ভারতীয় মুদ্রায় যা ৩০০ কোটি টাকারও বেশি। তবে এই জরিমানা কেবল সংস্থাগুলির জন্যই। কোনও নাবালক কিংবা তার অভিভাবককে শাস্তির মুখে পড়তে হবে না। টিকটক ও ইনস্টাগ্রামেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে ইউটিউব কিডসের মতো মাধ্যমকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। আইন কার্যকর হওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ায় শুরু হয় প্রতিবাদও।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ইথানলের মিশ্রণে গাড়ির ক্ষতি না হওয়ার দাবি, গড়করিকে পালটা ‘চ্যালেঞ্জ’ সমাজকর্মীদের
-
সেবাশ্রয়ের ‘ভুলে’ বাদ পা! অভিষেক-সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের মহিলার
-
গান জুড়ে রগরগে যৌনতা! স্ত্রীর ‘মাত্রাতিরিক্ত বোল্ডনেসে’ কী প্রতিক্রিয়া সিদ্ধার্থের?
-
‘ভারতীয়রা দুধে চিনির মতো’, অস্ট্রেলিয়ায় মোদির মন্তব্যে উচ্ছ্বসিত প্রবাসীরা
-
কপালে তিলক-গলায় তুলসিমালা, ছাত্রীকে ‘বহিষ্কার’ করেও শিক্ষাদপ্তরের ‘চাপে’ ফেরাল স্কুল