Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Kashmir

কাশ্মীরের ইতিহাস ‘বিকৃত’ করে বিতর্কে শাহবাজ! ‘চ্যাটজিপিটি থেকে টুকেছেন’ দাবি নেটিজেনের

৭৩ শতাংশই চ্যাটজিপিটির মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে লিখিত বলে দাবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০২৫, ১৬:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০২৫, ১৬:১২

options
link
কাশ্মীরের ইতিহাস ‘বিকৃত’ করে বিতর্কে শাহবাজ! ‘চ্যাটজিপিটি থেকে টুকেছেন’ দাবি নেটিজেনের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘কাশ্মীরের ইতিহাসে অন্ধকারতম দিন’ ছিল ১৯৪৭ সালের ২৭ অক্টোবর। এমনই এক পোস্ট করে বিতর্কে জড়ালেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। বহু এক্স ইউজার দাবি করেছেন, শাহবাজ যে পোস্টটি করেছেন তা ভুয়ো। এখানেই শেষ নয়, ইউজারদের দাবি, শরিফ যে পোস্ট করেছেন তার ৭০ শতাংশই এআই-এর সাহায্যে লেখানো।

কী লিখেছেন শরিফ? পাক প্রধানমন্ত্রীর দাবি, ১৯৪৭ সালের ২৭ অক্টোবর জম্মু ও কাশ্মীরকে দখল করে ভারত! এটা অবশ্য তিনিই প্রথম বললেন না। এই বিকৃত ইতিহাস বহুদিন ধরেই পাক রাজনীতিকদের ‘প্রপাগান্ডা’র আশ্রয় নেন। অথচ পাক মদতপুষ্ট মুজাহিদিনরা উপত্যকায় আক্রমণ করলে ১৯৪৭ সালের ২৭ অক্টোবর ভারতীয় সেনা শ্রীনগরে উপস্থিত হয়। এর ঠিক আগেই মহারাজা হরি সিং ইনস্ট্রুমেন্ট অফ অ্যাকসেশনে’ স্বাক্ষর করেন। এর ফলে জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অংশ হয়ে যায়। যেহেতু জম্মু ও কাশ্মীর আইনত ভারতের অংশ হয়ে গেল, তাই পাকিস্তানের উচিত ছিল আক্রমণ থেকে সরে এসে সেই সিদ্ধান্তকে মেনে নেওয়া। কিন্তু পাকিস্তান তা করেনি। ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ প্রতিবেশী হওয়ার কোনও ইচ্ছাই তাদের ছিল না। কেবল ছিল কাশ্মীরকে যেনতেন প্রকারেণ ছিনিয়ে নেওয়ার লোভ। কিন্তু পরবর্তী সময়ের মতো এই যুদ্ধেও পর্যুদস্ত হয় পাকিস্তান। নিজেদের সেই ব্যর্থতা ঢাকতেই পাকিস্তান বারবার ইতিহাস বিকৃত করে। শাহবাজ শরিফও সেই পথে হেঁটে হাস্যস্পদ হলেন।

Advertisement

শরিফের পোস্ট একেবারে ভুয়ো তথ্যে ভরা বলে দাবি করেছেন বহু ইউজার। এক্স কর্তৃপক্ষ ফ্যাক্ট চেকও করে দেখেছে এই মন্তব্য। এদিকে এক ইউজারের দাবি, শরিফের পোস্টের ৭৩ শতাংশই চ্যাটজিপিটির মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে লিখিত হয়। তিনি লিখেছেন, ‘আমি সত্যিই অবাক হচ্ছিলাম কী করে আপনি এত লম্বা টেক্সট লিখলেন কোনও বানান ভুল কিংবা ব্যাকরণগত ত্রুটি ছাড়াই! এরপর আমার চোখে পড়ল বিষয়টা। আর তখনই আমি বুঝতে পারলাম।’

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.