Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Indonesia

ইন্দোনেশিয়ায় জাহাজে বিধ্বংসী আগুন, প্রাণ বাঁচাতে জলে ঝাঁপ যাত্রীদের, মৃত অন্তত ৫

দুর্ঘটনাগ্রস্ত জাহাজটিতে প্রায় ৩০০ জন যাত্রী ছিলেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২৫, ২৩:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২৫, ২৩:৪৯

options
link
ইন্দোনেশিয়ায় জাহাজে বিধ্বংসী আগুন, প্রাণ বাঁচাতে জলে ঝাঁপ যাত্রীদের, মৃত অন্তত ৫ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ায় মাঝসমুদ্রে যাত্রীবাহী জাহাজে আগুন। এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৫ জনের। রবিবার দুর্ঘটনাটি ঘটেছে সুলায়েসি দ্বীপের কাছে। এক বিবৃতিতে উপকূলরক্ষী বাহিনী জানিয়েছে, ছোট জাহাজটি উত্তর সুলায়েসি প্রদেশের রাজধানী মানাডোর দিকে যাচ্ছিল। মাঝসমুদ্রে কেএম বার্সিলোনা ৫ নামের ওই জাহাজটিতে আচমকা আগুন ধরে গেলে বেশ কিছু যাত্রী প্রাণ রক্ষায় সমুদ্রে ঝাঁপ দেন।

ইন্দোনেশিয়ার সমুদ্র নিরাপত্তা সংস্থা ‘বাকামলা’ জানিয়েছে, জাহাজটিতে ৩০০ জন যাত্রী ছিলেন। “দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ২৮৪ জন জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।” স্থানীয় সময় অনুসারে দুপুর দেড়টা নাগাদ জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। উপরের ডেকগুলি দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আশাপাশ। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ছবি ও ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, আতঙ্কিত যাত্রীরা লাইফ জ্যাকেট পরে সমুদ্রে ঝাঁপ দিচ্ছেন।

আব্দুল রহমাদ আগু নামের এক যাত্রী জাহাজে দুর্ঘটনার দৃশ্য ফেসবুকে লাইভস্ট্রিমিং করেন। তিনি নিজেও তখন লাইফ জ্যাকেট পরে সমুদ্রে ভাসছিলেন। একটি শিশুকে কোলে নিয়ে ভাসতে দেখা গিয়েছে আগুকে। উদ্ধার হওয়া যাত্রীদের একজন পুলিশকর্মীর স্ত্রী। ইন্দোনেশিয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্য়মকে তিনি জানান, প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তাঁরা জলের মধ্যে ভাসছিলেন। তার পরে তাঁদের উদ্ধার করতে পৌঁছায় নৌসেনা।

উদ্ধারকাজ নিয়ে অভিযোগ উঠলেও পরে পরে তিনটি জাহাজ যাত্রীদের সুরক্ষিত ভাবে গন্তব্য পৌঁছে দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এদিকে দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে কী কারণে জাহাজে আগুন লাগল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.