Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
United States

পালক পনিরের ‘গন্ধে’ই কুপোকাত মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়, ২ কোটি পেলেন দুই ভারতীয় পড়ুয়া! ব্যাপারটা কী?

সালটা ২০২২। পিএইচডি করতে আমেরিকায় পাড়ি দেন আদিত্য প্রকাশ নামে এক ভারতীয় ছাত্র। ভর্তি হন বিখ্যাত কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাঁর সঙ্গে ওই একই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন ঊর্মি ভট্টাচার্য নামে এক ছাত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১৮:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১৮:৩৯

options
link
পালক পনিরের ‘গন্ধে’ই কুপোকাত মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়, ২ কোটি পেলেন দুই ভারতীয় পড়ুয়া! ব্যাপারটা কী? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আমেরিকায় গিয়ে ভারতীয়দের বর্ণবিদ্বেষের শিকার হওয়ার ঘটনা নতুন নয়। কিন্তু এবার ভারতীয় খাবারেও ‘না’। এমনই চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা ঘটেছে আমেরিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানকার এক কর্মীর নিদান, পালক পনিরের মতো খাবার বিশ্ববিদ্যালয়ে খাওয়া যাবে না। কারণ, তা থেকে দুর্গন্ধ বের হয়। কিন্তু কথায় আছে, ভিনদেশে গিয়ে হার মানার পাত্র নন ভারতীয়রা। পালক পনিরের ‘গন্ধে’ই দুই ভারতীয় পড়ুয়া কুপোকাত করলেন ওই মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়কে। ক্ষতিপূরণ বাবদ পলেন প্রায় ২ কোটি টাকাও।

ঠিক কী ঘটেছিল? সালটা ২০২২। পিএইচডি করতে আমেরিকায় পাড়ি দেন আদিত্য প্রকাশ নামে এক ভারতীয় ছাত্র। ভর্তি হন বিখ্যাত কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাঁর সঙ্গে ওই একই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন ঊর্মি ভট্টাচার্য নামে এক ছাত্রী। তবে ঘটনাটি ঘটে এক বছর পর। ২০২৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। আদিত্য বাড়ি থেকে পালক পনির বানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে এনেছিলেন। মধ্যাহ্নভোজনের সময় তিনি তা গরম করতে ক্যান্টিনে যান। খাবারটি মাইক্রোওভেনে দেওয়ার পরই সেখানকার এক কর্মী ছুটে আসেন। ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি একপ্রকার নিদান দেন, এই ভারতীয় খাবার খাওয়া যাবে না। কারণ, খাবার থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। আদিত্যর সঙ্গে সেখানে ছিলেন ঊর্মিও। কিন্তু প্রাথমিকভাবে তাঁরা ওই কর্মীর কথা শুনতে রাজি হননি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই কর্মী এরপ্রকার জোর করেই তাঁদের খাবার মাইক্রোওভেন থেকে বের করে দেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই ঘটনার পর দুই ভারতীয়কে প্রতিদিন চরম হেনস্তার মুখে পড়তে হত বলে অভিযোগ। লাগাতার চলত বর্ণবিদ্বেষী আক্রমণ, বিদ্রুপ। এমনকী অন্য ছাত্রছাত্রীদের থেকে তাঁদেরকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছেন দুই ভারতীয়। এক পর্যায়ে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলেন তাঁরা। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হন আদিত্য এবং ঊর্মি। সেখানে বড় হয় দু’জনের। আদালতের নির্দেশে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁদেরকে প্রায় ১.৮ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য হয়। তবে আগামী দিনে ওই দুই ভারতীয় ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আদিত্যর কথায়, “আমার খাবার আমার গর্ব। কার ভালো লাগছে, কার খারপ লাগছে, তাতে আমি উদ্বিগ্ন নই।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.