সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের জঙ্গি হামলার (Terrorist Attack) মুখে পাকিস্তান (Pakistan)। খাইবার পাখতুয়াখোয়া এলাকার কুরাম এলাকার এক যাত্রীবাহী গাড়ি লক্ষ্য করে গুলিবৃষ্টি। প্রাণ হারালেন অন্তত ৩৮ জন। এই সংখ্য়া বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের। তার মধ্যে বেশ কয়েকজন নারী ও শিশুও রয়েছে। জখম হয়েছেন ২৯ জন। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, সাম্প্রতিককালে এটাই সবচেয়ে বড় হামলা।
“At least 38 people were killed in a gun attack carried out on passenger vans in the lower Kurram area of Khyber Pakhtunkhwa on Thursday, according to the police,” reports Pakistan’s Dawn news
Advertisement— ANI (@ANI) November 21, 2024
খাইবার পাখতুনখোয়া এলাকার কুরাম আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকা। এখানকার মুখ্য প্রশাসনিক আধিকারিক নাদিম আসলাম চৌধুরী জানাচ্ছেন, বৃহস্পতিবার এখানকার একদল বাসিন্দা পেশোয়ার পরচিনার এলাকায় যাচ্ছিলেন। দুটি যাত্রীবাহী গাড়িকে টার্গেট করে জঙ্গিরা। চলে নাগাড়ে গুলিবৃষ্টি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, অন্তত ১০ জন হামলাকারী ছিল। এও জানান, তাঁদের আত্মীয়রা ওই গাড়িতে ছিলেন। বেঁচে আছেন কিনা, জানতে পারেননি এখনও।
সাধারণ নাগরিকদের লক্ষ্য করে এত বড় জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন পাক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি। এই পরিস্থিতি কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। আসলে পাকিস্তানের এই খাইবার পাখতুনখোয়া এলাকায় শিয়া-সুন্নি গোষ্ঠীর মধ্যে বরাবর দ্বন্দ্ব রয়েছে। নানা বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ঝামেলা বাঁধে, প্রাণহানির খবরও নতুন নয়। তবে এই হামলা কারা ঘটাল, তা এখনও অজানা। কারণ, কোনও জঙ্গিগোষ্ঠী এখনও দায় স্বীকার করেনি। সম্প্রতি পাকিস্তানে পর পর বেশ কয়েকটি জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছে। কখনও সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে, কখনও আবার মসজিদে হামলা চলেছে। প্রতিবেশী দেশটিতে যে ফের জঙ্গিরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, ধারাবাহিক এসব ঘটনাই তার প্রমাণ।
সর্বশেষ খবর
-
অবশেষে শুরু অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদন, কীভাবে পূরণ করবেন ফর্ম? জানুন খুঁটিনাটি
-
হিন্দু-মুসলমানের রাজনীতি আর কতদিন! দিল্লিতে বিক্ষোভ ককরোচ পার্টির, নিরাপত্তা দিল শাহের পুলিশ
-
শওকতের গ্রেপ্তারিতে ভাঙড়ে মিষ্টি বিলি আরাবুলের, তুমুল নাচ আইএসএফ কর্মীদের
-
বিশ্বাস ভাইদের অবিশ্বাস্য কীর্তি! এলআইসির জমি ‘জবরদখল’ সুরুচি সংঘের
-
আর জেড প্লাস নিরাপত্তা নেই লালুর, লাঠি হাতেই বাড়ি পাহারায় দলের কর্মীরা