Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Pakistan

লিবিয়ার বিদ্রোহীদের যুদ্ধবিমান বেচবে পাকিস্তান! রাষ্ট্রসংঘের নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে বিরাট চুক্তি মুনিরের

এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে অস্ত্র বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে রাষ্ট্রসংঘের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫, ১৩:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫, ১৩:৫৬

options
link
লিবিয়ার বিদ্রোহীদের যুদ্ধবিমান বেচবে পাকিস্তান! রাষ্ট্রসংঘের নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে বিরাট চুক্তি মুনিরের zoom
ফাইল ছবি
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে লিবিয়ায় বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে যুদ্ধবিমান বিক্রি করতে চলেছে পাকিস্তান। সেই লক্ষ্যে বিদ্রোহী শিবির লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির (LNA) সঙ্গে ৪ বিলিয়ন ডলারের চুক্তিও সাক্ষর করেছেন পাকিস্তানের সেনা সর্বাধিনায়ক আসিফ মুনির। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে। পাকিস্তান এই চুক্তির কথা স্বীকার করলেও, কাদের তারা অস্ত্র বিক্রি করছে তা প্রকাশ্যে আনা হয়নি।

পাক সেনা সূত্রে জানা যাচ্ছে, গত সপ্তাহে পূর্ব লিবিয়ার বেনগাজি শহরে মুনিরের সঙ্গে বৈঠক করেন এলএনএ-র ডেপুটি কমান্ডার-ইন-চিফ সাদ্দাম খালিফা হাফতার। সেই বৈঠকেই এই চুক্তিতে চূড়ান্ত সিলমোহর পড়ে। রয়টর্স সূত্রের খবর, লিবিয়ার এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে ১৬টি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান বিক্রি করতে চলেছে পাকিস্তান। এই যুদ্ধবিমান যৌথভাবে তৈরি করেছে চিন ও পাকিস্তান। আধুনিক এই ১৭টি যুদ্ধবিমানের মধ্যে ১২টি মাশাক প্রশিক্ষন বিমান। দাবি করা হচ্ছে, আগামী আড়াই বছরের মধ্যে সবগুলি যুদ্ধবিমান সরবরায় করবে পাকিস্তান। বিরাট এই চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তানের হাতে আসবে ৪.৬ বিলিয়ন ডলার। শুধু অস্ত্র বিক্রি নয়, চুক্তির মাধ্যমে এই বিদ্রোহী শিবিরকে প্রশিক্ষণ ও সামরিক সহায়তাও দেবে পাক সেনা।

Advertisement

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে লিবিয়ায় গাদ্দাফির মৃত্যুর পর দুইভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে লিবিয়া। পূর্ব লিবিয়াতে ক্ষমতা দখল করেছে খালিফার সেনাবাহিনী। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন হাম্মাদ। এই সেনার অর্ধেকের বেশিই ভাড়াটে সৈন্য দ্বারা গঠিত। অন্যদিকে, পশ্চিম সিরিয়ার ত্রিপোলিতে চলছে রাষ্ট্রসংঘ স্বীকৃত সরকার। সেখানকার প্রধানমন্ত্রী আবদুল হামিদ দিবেইবা। এদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে লিবিয়ায় তৈল খনিগুলির বড় অংশ। মাঝে মধ্যেই এই দুই শিবিরের মধ্যে সংঘাত চরম আকার নেয়। এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কোমর ভাঙতে এলএনএ-কে কোনওরকম সামরিক সাহায্যের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে রাষ্ট্রসংঘ। তারপরও বেশকিছু দেশ গোপনে সাহায্য করে যায় এই গোষ্ঠীকে।

এবার এলএনএ-র সঙ্গে পাকিস্তানের সামরিক চুক্তি স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের মুখে। তার চেয়েও আশ্চর্যের বিষয় পাকিস্তান নিজেও রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য। তবে পাক সেনার দাবি অনুযায়ী, এই চুক্তি রাষ্ট্রসংঘের কোনও নিষেধাজ্ঞাকে লঙ্ঘন করছে না। তাদের যুক্তি হাফতারের উপর কোনওরকম নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি রাষ্ট্রসংঘ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.