Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Mojtaba Khamenei

খামেনেইয়ের কাছে বার্তা নিয়ে হাজির পাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ইরানের সম্পত্তিতেই ক্ষতিপূরণের ভাবনা ট্রাম্পের

নতুন করে ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কুয়েত, বাহরিনের মতো দেশগুলি। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের এই তৎপরতায় জল্পনা বাড়াচ্ছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৬, ১৬:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৬, ১৬:৪৯

options
link
খামেনেইয়ের কাছে বার্তা নিয়ে হাজির পাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ইরানের সম্পত্তিতেই ক্ষতিপূরণের ভাবনা ট্রাম্পের zoom
ইরানের পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নকভি।

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলমান সংঘাতে মধ্যস্থতার কৃতিত্ব নিতে উঠেপড়ে লেগেছে পাকিস্তান। সেই লক্ষ্যেই এবার সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেইয়ের জন্য বিশেষ বার্তা নিয়ে ইরান পৌঁছলেন পাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি। শনিবার রাতেই তেহরানের মাটিতে রাখেন তিনি। অন্যদিকে ইরানকে ভাতে মারতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন ট্রাম্প। সূত্রের খবর, বিদেশে থাকা ইরানের যে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তা দিয়েই প্রতিবেশী ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হতে পারে।

পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, পাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভির ইরান সফরের উদ্দেশ্য হল খামেনেইকে এই বিশেষ বার্তা পাঠানো। যে বার্তা পাঠানো হয়েছে পাকিস্তানের সেনা প্রধান আসিম মুনিরের তরফে। কী সেই বার্তা তা স্পষ্ট না হলেও, শোনা যাচ্ছে মধ্যস্থতা এবং ওয়াশিংটন ও তেহরানের চুক্তির জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা। উল্লেখ্য, সপ্তাহব্যাপী যুদ্ধের পর গত এপ্রিল মাসে পাক মধ্যস্থতায় বৈঠকে বসেছিল দুই দেশ। সেই বৈঠকে কোনও রফাসূত্র বের হয়নি। দ্বিতীয় দফায় ফের বৈঠকের চেষ্টা হলেও তা ব্যর্থ হয়। এই অবস্থায় ‘ব্যাক চ্যানেল’ থেকে আলোচনা চলছে ঠিকই কিন্তু সে পথে যুদ্ধ থামার কোনও সবুজ সংকেত মেলেনি। বরং নতুন করে ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কুয়েত, বাহরিনের মতো দেশগুলি। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের এই তৎপরতায় জল্পনা বাড়াচ্ছে।

Advertisement

নাকভির ইরান সফরের উদ্দেশ্য হল খামেনেইকে এই বিশেষ বার্তা পাঠানো। যে বার্তা পাঠানো হয়েছে পাকিস্তানের সেনা প্রধান আসিম মুনিরের তরফে।

এদিকে আবার ইরানকে জব্দ করতে কোমর বেঁধে মাঠে নামছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জানা যাচ্ছে, ইরানের মারে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলিকে ক্ষতিপূরণ দিতে ইরানের বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি হাতানোর পরিকল্পনা করেছে আমেরিকা। ইরানের হামলায় মিত্র দেশগুলির কত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, আধিকারিকদের তার হিসেব করার নির্দেশ দিয়েছেন আমেরিকার অর্থ সচিব স্কট বেসেন্ট। একইসঙ্গে তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে ইরানের সম্পত্তি ব্যবহার করা যায় কিনা সেটাও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে তা কোন সম্পদ তা স্পষ্ট করা হয়নি। যুদ্ধ শুরুর পর আমেরিকার মাটিতে থাকা ইরানের বিপুল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছিল আমেরিকা। অনুমান করা হচ্ছে, সেই সম্পদই ক্ষতিপূরণ হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে। যদি তা হয় সেক্ষেত্রে যুদ্ধবিরতির পথ আরও কণ্টকময় হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। হরমুজ প্রণালীর কাছে গোরুক এবং কেশম দ্বীপে ইরানের রাডার সিস্টেমে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। যার পালটা কুয়েত এবং বাহরিনে আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিতে মিসাইল হামলা চালিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশন গার্ড কর্পস। পর পর হামলার জেরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ। ব্যাহত হয়েছে বিমান চলাচল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.