Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
HIV

৭৮ শিশু-সহ অন্তত ২০০ জন HIV আক্রান্ত! হাসপাতালের গাফিলতিতে ভয়াবহ বিপর্যয় পাকিস্তানে

সরকারি হাসপাতালের গাফিলতিতে ভয়ংকর বিপর্যয়। এইচআইভির হটস্পট হয়ে উঠল পাকিস্তানের করাচি। শুধুমাত্র গাফিলতির জেরে মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হল ৭৮ জন শিশু।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২৬, ২৩:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২৬, ২৩:৪৭

options
link
৭৮ শিশু-সহ অন্তত ২০০ জন HIV আক্রান্ত! হাসপাতালের গাফিলতিতে ভয়াবহ বিপর্যয় পাকিস্তানে zoom
পাকিস্তানে ৭৮ শিশু-সহ অন্তত ২০০ জন HIV আক্রান্ত।
Advertisement

সরকারি হাসপাতালের গাফিলতিতে ভয়ংকর বিপর্যয়। এইচআইভির হটস্পট হয়ে উঠল পাকিস্তানের করাচি। শুধুমাত্র গাফিলতির জেরে মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হল ৭৮ জন শিশু। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে এলাকায় স্ক্রিনিং চালিয়ে আরও ১২০ জনকে এইচআইভি পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। শুধুমাত্র অবহেলার কারণে ৬ জন আইআইভি আক্রান্তের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ঘটনা সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে পাকিস্তানের স্বাস্থ্যবিভাগ।

জানা গিয়েছে এই ঘটনা ঘটেছে করাচির সাইট এলাকার এক হাসপাতালে। সম্প্রতি ওই হাসপাতালে হঠাৎ পরিদর্শনে আসে সিন্ধু স্বাস্থ্যসেবা কমিশনের একটি দল। স্বাস্থ্যকর্তারা দেখেন, হাসপাতালের সংক্রমণ প্রতিরোধের মৌলিক নিয়ম সেখানে পালিত হচ্ছে না। তদন্তে জানা যায়, হাসপাতাল কর্মীরা একবার ব্যবহারযোগ্য সুঁচ বারবার ব্যবহার করছেন রোগীর শরীরে। নিয়ম অনুযায়ী, সুঁচ ব্যবহারের পর তা একটি নির্দিষ্ট পাত্রে ফেলার কথা। তবে এখানে কর্মীরা সিরিঞ্জ থেকে হাত দিয়েই খুলে নিচ্ছিলেন সুঁচগুলি। কোথায় সুঁচগুলি ফেলা হচ্ছে সে বিষয়েও কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি তাঁরা। গাফিলতির বিষয়টি সামনে আসার পরই হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে ব্যাপকহারে স্ক্রিনিং শুরু করা হয়। প্রায় সাড়ে ১০ হাজার মানুষের রক্তের নমুনা সংগ্রহের পর দেখা যায় ৭৮ জন শিশু আইএইভি আক্রান্ত, এছাড়াও এলাকার ১২০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এইচআইভি আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের।

Advertisement

প্রায় সাড়ে ১০ হাজার মানুষের রক্তের নমুনা সংগ্রহের পর দেখা যায় ৭৮ জন শিশু আইএইভি আক্রান্ত, এছাড়াও এলাকার ১২০ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

ভয়াবহ এই তথ্য সামনে আসার পর কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রী সৈয়দ মুরাদ আলি শাহ। হাসপাতালের প্রশাসক, ল্যাব কর্মী এবং নার্সিং স্টাফ-সহ ৩৭ জন আধিকারিক ও কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্তকারী দলের তরফে জানানো হয়েছে, হাসপাতালটিতে একটি ‘সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ কমিটি’ গঠন করা হয়েছিল, কিন্তু কর্মচারীদের মধ্যে গাছাড়া মানসিকতা এবং সুরক্ষাবিধি পালনে গাফিলতির জেরে এই কমিটি সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়। তার ফল এতগুলি মানুষ একসঙ্গে এইচআইভি আক্রান্ত।

অবশ্য পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে এই ধরনের এইচআইভি প্রাদুর্ভাব প্রথমবার নয়। ২০১৯ সালে সিন্ধুর রাতোদেরো এলাকায় একই ঘটনা ঘটে। ইনজেকশনের পুনর্ব্যবহার এবং ভুল চিকিৎসা পদ্ধতির জেরে শত শত শিশু এইচআইভি আক্রান্ত হয়। ফের একই ঘটনার সাক্ষী থাকল পাকিস্তান।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.