Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
Venezuela Crisis

মাদুরো বন্দি হওয়ার পরেই ট্রাম্পকে ফোন সাংবাদিকের! ফোন তুলে কী বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

মেরেকেটে ৫০ সেকেন্ড কথা হয়েছিল দু'জনের মধ্যে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৭:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৭:৫৯

options
link
মাদুরো বন্দি হওয়ার পরেই ট্রাম্পকে ফোন সাংবাদিকের! ফোন তুলে কী বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো বন্দি হয়েছেন মার্কিন সেনার হাতে! শনিবার ভোর ৪টে ২০ নাগাদ সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এই ঘোষণা করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ঠিক তার মিনিট দশেক পরেই বেজে উঠেছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টের ফোন!

নাহ্, মার্কিন প্রশাসনের কোনও উচ্চ পদস্থ আধিকারিক বা সেনাকর্তা নন। ফোন করেছিলেন এক সাংবাদিক। ট্রাম্পও ফোন ধরেছিলেন। মেরেকেটে ৫০ সেকেন্ডের ফোনকলে দু’জনের মধ্যে কী কথা হয়েছিল, তা-ই জানালেন মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের সেই সাংবাদিক টাইলর পেজ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিউ ইয়র্ক টাইমসের হোয়াইট হাউস রিপোর্টার টাইলর। শুক্রবার ফ্লরিডার একটি হোটেলে ছিলেন তিনি। ঘুমোচ্ছিলেন। রাত ১টা নাগাদ তাঁকে তাঁর ভেনেজুয়েলার সহকর্মী অ্যানাতোলাই কুর্মানাইভ ফোন করেন। জানান, কারাকাসে (ভেনেজুয়েলার রাজধানী) বোমা-বর্ষণ শুরু হয়েছে। এ কথা শুনে টাইলরের বুঝতে অসুবিধা হয়নি যে, আমেরিকাই হামলা চালিয়েছে! কারণ, গত এক বছর ধরে আমেরিকা এবং ভেনেজুয়েলার মাদুরো প্রশাসনের মধ্যে টানাপড়েনের উপর নজর রাখছিলেন টাইলর। পরে ট্রাম্প সমাজমাধ্যমের পোস্ট করার পরেই গোটা বিষয়টি জলের মতো পরিষ্কার হয়ে যায় তাঁর কাছে।

টাইলর বলেন, “যখন বিস্ফোরণ শুরু হয় কারাকাসে, আমরা বুঝেই গিয়েছিলাম, এটার নেপথ্যে আমেরিকাই রয়েছে। তাই আমি সরাসরি ওঁকে (ট্রাম্প) ফোন করেছিলাম এবং উনি ফোন ধরেছিলাম। এতে আমি মোটেই বিস্মিত নই কারণ উনি সাংবাদিকদের ফোন ধরেই থাকেন।” যদিও এই প্রথমবারই ট্রাম্পকে ফোন করেছিলেন টাইলর। তাঁর কথায়, “ফোনে বললাম যে আমি নিউ ইয়র্ক টাইমস থেকে বলছি। ভেনেজুয়েলার অপারেশন নিয়ে আমার কিছু প্রশ্ন রয়েছে। উনি মোটেই আপত্তি করেননি। আবার উনি আমার সব প্রশ্নের উত্তরও দেননি। আমি ওঁকে চারটি প্রশ্ন করেছিলাম। উনি শুধু বলেছিলেন ওঁর সাংবাদিক বৈঠকের দিকে নজর রাখতে।”

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.