Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
USA

মার্কিন অভিবাসন দপ্তরের গুলিতে মৃত যুবক দেশেরই নাগরিক, এ কেমন ভুল!

মিনিয়াপোলিস শহরে ICE-র নৃশংসতার ভিডিও ভাইরাল। মৃত অ্যালেক্সের পরিচয় প্রকাশ্যে আসতেই তুমুল সমালোচনার মুখে ট্রাম্প প্রশাসন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ২১:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ২১:৫৫

options
link
মার্কিন অভিবাসন দপ্তরের গুলিতে মৃত যুবক দেশেরই নাগরিক, এ কেমন ভুল! zoom
মার্কিন অভিবাসন দপ্তরের গুলিতে মৃত অ্যালেক্স স্বদেশি। ছবি: সংগৃহীত

ছোটখাটো বিক্ষোভ দমনে এত বড় ভুল করে বসল মার্কিন অভিবাসন দপ্তর! অভিবাসীদের প্রতিবাদে নির্বিচার গুলিতে প্রাণ হারানো যুবক কোনও অভিবাসী নন, তিনি মার্কিন নাগরিক। নাম তাঁর অ্যালেক্স জেফ্রি প্রেটি। ইলিনয় প্রদেশে জন্ম। ৩৭ বছরের অ্যালেক্স পেশায় সেবাকর্মী। হাসপাতালের আইসিইউ-তে গত ৫ বছর ধরে তিনি কাজ করছেন। তাঁর এই পরিচয় প্রকাশ্যে আসার পরই তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। অভিবাসী তাড়াতে এতটাই ‘অতিসক্রিয়’ তাঁর পুলিশ প্রশাসন যে খোদ দেশের নাগরিককেই গুলিতে প্রাণ হারাতে হল। ভাইরাল অ্যালেক্সের মৃত্যু মুহূর্তের ভিডিও। ছেলের এহেন মৃত্যুতে কার্যত স্তব্ধবাক অ্যালেক্সের মা-বাবা।

অভিবাসীদের প্রতিবাদে নির্বিচার গুলিতে প্রাণ হারানো যুবক কোনও অভিবাসী নন, তিনি মার্কিন নাগরিক। নাম তাঁর অ্যালেক্স জেফ্রি প্রেটি। ইলিনয় প্রদেশে জন্ম। ৩৭ বছরের অ্যালেক্স পেশায় সেবাকর্মী।

শনিবার রাতে মিনিয়াপোলিস শহরে অভিবাসী বিক্ষোভে গুলিচালনায় একজনের মৃত্যু ঘিরে পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত হচ্ছিল। একমাসে এনিয়ে দু’বার এমনটা ঘটল আমেরিকায়। এর আগে গত ৭ জানুয়ারি অভিবাসন দপ্তরের গুলিতে রেনে নিকোলে গুড নামে এক মহিলার মৃত্যু হয়েছিল। অভিবাসী বিতাড়নে ট্রাম্পের এই দমনপীড়ন নীতি মেনে নিতে পারেননি অ্যালেক্স। আইসিইউ-তে চিকিৎসাধীন রোগীদের দেখাশোনা করা অ্যালেক্স আসলে খুব নরম মনের মানুষ। তাই ওই মৃত্যুর প্রতিবাদ জানাতে বিক্ষোভকারীদের মিছিলে শামিল হয়েছিলেন মিতভাষী বছর সাঁইত্রিশের যুবক। আর তাতেই তাঁর জীবনে নেমে মৃত্যুর অন্ধকার।

Advertisement

সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, মিছিল থেকে অ্যালেক্সকে টেনে নিয়ে যায় অভিবাসন দপ্তরের ৬ কর্মী। তাঁকে প্রশ্ন করতে করতে মাটিতে শুইয়ে দেওয়া হয়। এই ভিডিও রেকর্ড করছিলেন এক মহিলা। অ্যালেক্সের পরিস্থিতি দেখে তিনি চিৎকার করে ওঠেন। প্রশ্ন তোলেন, কী হচ্ছে এটা? কিন্তু তারপরই পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে থাকে। অভিবাসন দপ্তরের কর্মীরা মুহুর্মুহু গুলি চালাতে থাকে। তাতেই নিথর হয়ে যান অ্যালেক্স। পরে তাঁর নাম-পরিচয় প্রকাশ্যে এসেছে। আর তাতেই অবৈধ নাগরিক বিতাড়ণে বড়সড় ভুলের জন্য কাঠগড়ায় তোলা হল অভিবাসন দপ্তরকে।

সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, মিছিল থেকে অ্যালেক্সকে টেনে নিয়ে যায় অভিবাসন দপ্তরের ৬ কর্মী। তাঁকে প্রশ্ন করতে করতে মাটিতে শুইয়ে দেওয়া হয়। এই ভিডিও রেকর্ড করছিলেন এক মহিলা।

অ্যালেক্সের মৃত্যুর পর নড়েচড়ে বসেছেন মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ। সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তাঁর কড়া বক্তব্য, ”হোয়াইট হাউসের সঙ্গে এনিয়ে কথা বলেছি। আজ সকালের (শনিবার) ঘটনায় তদন্ত দরকার। ট্রাম্পকে বলতে চাই, এবার এসব থামান। মিনেসোটায় ইতিমধ্যে অভিবাসীদের প্রতিবাদ দমনে যথেষ্ট কড়া পদক্ষেপ করা হয়েছে। হিংসাত্মক, অসহায় পরিস্থিতি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.