Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Maria Corina Machado

‘উনি ফ্যাসিবাদের সমর্থক’, মাচাদোর নোবেল পুরস্কার প্রত্যাহারের দাবি মুসলিম সংগঠনের

মাচাদো মুসলিম নির্যাতনকে প্রকাশ্যে সমর্থন করেন বলে অভিযোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০২৫, ১৬:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০২৫, ১৬:৪২

options
link
‘উনি ফ্যাসিবাদের সমর্থক’, মাচাদোর নোবেল পুরস্কার প্রত্যাহারের দাবি মুসলিম সংগঠনের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে টেক্কা দিয়ে ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার মারিয়া করিনা মাচাদো। এই ঘটনায় একদিকে যেমন অভিনন্দনের ঝড় উঠেছে, অন্যদিকে তেমনই চলছে বিতর্ক। মাচাদোকে অতি ডানপন্থী ও ফ্যাসিবাদের সমর্থক বলে সরব হয়েছে বামপন্থীরা। মুসলিম বিরোধী বলে অভিযোগ করে মাচাদোর নোবেল পুরস্কার প্রত্যাহারের দাবি তুলেছে মুসলিম সংগঠন কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশন (সিএআইআর)।

বিরোধীদের তরফে অভিযোগ তোলা হয়েছে মাচাদোর সঙ্গে মার্কিন ডানপন্থীদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। এদিকে খোদ হোয়াইট হাউসও এই নোবেল পুরস্কারের সমালোচনা করে জানিয়েছেন, শান্তি নয়, নোবেল কমিটি রাজনীতিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। এই ডামাডোলের মাঝেই সিএআইআর নোবেল কমিটির সমালোচনা করে জানিয়েছে, নোবেল কমিটির উচিত এই পুরস্কার প্রত্যাহার করে নেওয়া। কারণ, মাচাদো ইজরায়েলের মুসলিম বিরোধী এজেন্ডাকে সমর্থন করেন। মুসলিমদের উপর নির্যাতনকে প্রকাশ্যে সমর্থন করেন।

Advertisement

শুধু তাই নয়, ভেনেজুয়েলার অন্দরেও উঠেছে বিতর্কের ঝড়। সেখানকার শাসকদলের এক সাংসদ বলেন, মাচাদোকে এই পুরস্কার দেওয়া লজ্জার। তিনি বিদেশি শক্তির সাহায্য নিয়ে দেশকে অস্থির করার চেষ্টা করেছেন। সরকারের বিরুদ্ধে বিদেশি নিষেধাজ্ঞাকে সমর্থন করেন মাচাদো। এহেন দেশদ্রোহীর নোবেল পাওয়া কখনই উচিত নয়। ভেনেজুয়েলার প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট পাবলো ইগলেসিয়াস বলেন, মাচাদো দেশে অভ্যুত্থানের চেষ্টা করেছিলেন। উনি হিটলারের আদর্শকে সমর্থন করেন। ওনাকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হলে পুতিন, জেলেনস্কিরাও আগামী বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পেতে পারেন।

যদিও ভেনেজুয়েলার ওই নেত্রীকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার পাশাপাশি নোবেল কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, ”স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য গণতন্ত্রই প্রথম শর্ত। তবে আমরা এমন একটি পৃথিবীতে বাস করছি যেখানে গণতন্ত্র পিছিয়ে পড়েছে। কতৃত্ববাদ শাসনব্যবস্থার নীতিকে লাগাতার চ্যালেঞ্জ ছুড়ছে এবং হিংসার আশ্রয় নিচ্ছে।” নোবেল পুরস্কারের জন্য মাচাদোর নাম ঘোষণা করে কমিটি জানায়, ”মাচাদো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লাগাতার কাজ করে চলেছেন।” অবশ্য এই পুরস্কার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উৎসর্গ করেছেন মাচাদো।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.