Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Netanyahu

প্রত্যাঘাতের আগুনে পুড়ত ইজরায়েল! নেতানিয়াহুর অনুরোধেই ইরানে হামলা করেননি ট্রাম্প?

১৪ জানুয়ারি ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিলেও শেষ মুহূর্তে পিছু হটে আমেরিকা। চাঞ্চল্যকর এমনই তথ্য সম্প্রতি প্রকাশ্যে এনেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম 'দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৬:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৬:১৩

options
link
প্রত্যাঘাতের আগুনে পুড়ত ইজরায়েল! নেতানিয়াহুর অনুরোধেই ইরানে হামলা করেননি ট্রাম্প? zoom
ফাইল ছবি

সাহায্য আসছে বলে ইরানের বিদ্রোহীদের প্রতিশ্রুতি দিলেও শেষ পর্যন্ত ইরান হামলা থেকে পিছু হটেছে আমেরিকা। জানা যাচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত বদলের নেপথ্যে রয়েছে ইজরায়েলের অনুরোধ। ইরানের প্রত্যাঘাত সামাল দেওয়ার জন্য তেল আভিভ প্রস্তুত নয়, এমনটাই জানিয়ে ট্রাম্পকে ফোন করেছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। যার জেরে ১৪ জানুয়ারি ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিলেও শেষ মুহূর্তে পিছু হটে আমেরিকা। চাঞ্চল্যকর এমনই তথ্য সম্প্রতি প্রকাশ্যে এনেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’।

হোয়াইট হাউসের সূত্র তুলে ধরে আন্তর্জাতিক ওই সংবাদমাধ্যমের দাবি, গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করেছিলেন নেতানিয়াহু। সেখানে আমেরিকার কাছে তিনি অনুরোধ জানান, আমেরিকা যেন ইরানে হামলা না চালায়। নেতানিয়াহুর যুক্তি ছিল, আমেরিকা ইরানে হামলা চালালে পালটা ইজরায়েলে হামলা চালাবে তেহরান। সেই হামলা সামাল দেওয়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত নয় ইজরায়েল। ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র রুখতে আমেরিকা যদি ইজরায়েলে পর্যাপ্ত বাহিনী ও অস্ত্র না পাঠায় তাহলে এই হামলা না চালানোই শ্রেয়। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর এক উপদেষ্টা জানান, নেতানিয়াহু মনে করেন ইরান নিয়ে আমেরিকা যে পরিকল্পনা নিয়েছে কার্যকর নয়, এতে কাঙ্খিত ফল আসলে না। নেতানিয়াহুর সেই বার্তাকেই গুরুত্ব দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইরানের হামলার ফল কী হতে পারে তা গত বছর ১২ দিনের যুদ্ধে টের পেয়েছে ইজরায়েল। সেই সময় ইরানের ব্যালেস্টিক হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় ইজরায়েলের।

Advertisement

উল্লেখ্য, ইরানে মূল্যবৃদ্ধি, স্বাস্থ্য-শিক্ষা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যর্থতা, কট্টরপন্থী ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে পথে নেমেছে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। ইরানের সরকারি আধিকারিকদের দাবি, গণবিক্ষোভে অন্তত ৫ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কমপক্ষে ৫০০ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টাইমস’-এর একটি রিপোর্টে পালটা দাবি করা হয়েছে, ইরানে মৃতের সংখ্যা পেরিয়েছে ১৬ হাজার। দেশজুড়ে অব্যাহত খামেনেইয়ের দমননীতি। এমনকী দেখা মাত্র প্রতিবাদীদের মাথায় গুলি করা হচ্ছে। একইসঙ্গে রিপোর্টে বলা হয়েছে, খামেনেই সরকার দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাস্ত্র প্রয়োগ করছে।

গুরুতর এই পরিস্থিতির বহু আগে থেকেই ইরানে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিদ্রোহীদের সমর্থন জানিয়ে একাধিকবার তিনি বলেছেন শীঘ্রই সাহায্য আসছে। যদিও এত মানুষের মৃত্যুর পরও আমেরিকা সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি। বরং ট্রাম্প জানান, ইরানে হিংসার ঘটনা কমেছে। বেলাগাম মৃত্যুদণ্ডের পথে হাঁটছে না সেখানকার প্রশাসন। বলার অপেক্ষা রাখে না আমেরিকার এই সিদ্ধান্তে যারপরনাই ক্ষুব্ধ হন সেখানকার বিদ্রোহীরা। অভিযোগ করা হয়, গাছে তুলে এখন মই কেড়ে নিল আমেরিকা। এহেন পরিস্থিতির মাঝেই এবার জানা গেল, ১৪ জানুয়ারি ইরানের বিমান হামলার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে শেষ পর্যন্ত নেতানিয়াহুর অনুরোধে সিদ্ধান্ত বদলান তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.