Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
Nepal

‘পাকিস্তানি-বাংলাদেশি’দের দেশছাড়া করে হিন্দু রাষ্ট্রের দাবি, ঘেরাও সাংসদ, জনরোষ বাড়ছে নেপালে

দীর্ঘ বছর ধরে গোটা বিশ্বের মধ্যে একমাত্র হিন্দু রাষ্ট্র ছিল নেপাল। নেপালের রাজারা নিজেদের হিন্দু ধর্মের রক্ষক বলে মনে করতেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২৬, ১৪:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২৬, ১৪:৩৩

options
link
‘পাকিস্তানি-বাংলাদেশি’দের দেশছাড়া করে হিন্দু রাষ্ট্রের দাবি, ঘেরাও সাংসদ, জনরোষ বাড়ছে নেপালে zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

ভয়ংকর দাঙ্গার মাঝেই হিন্দু রাষ্ট্র পুনর্বহাল করার দাবিতে এবার সোচ্চার হয়ে উঠল নেপাল। এই দাবি এখন আর শুধু সংগঠনিক আন্দোলন বা বিক্ষোভের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং জনপ্রতিনিধিদের ঘেরাও করে জবাব চাইছে জনতা। জায়গায় জায়গায় সাংসদদের ঘেরাও করে পাকিস্তানি, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের দেশছাড়া করার দাবি উঠেছে। হিন্দুদের নিরাপত্তা ও অধিকারের দাবিও তোলা হচ্ছে। দেশকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণার জন্য সংসদে সোচ্চার হওয়ার দাবিও উঠছে।

সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়েছেন নেপালের সিরাহা জেলায় ন্যাশনাল ইন্ডিপেন্ডেন্ট পার্টির সাংসদ বাবলু গুপ্তা। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, তাঁরা পরিবর্তন ও হিন্দু রাষ্ট্রের প্রত্যাবর্তনের আশায় জনপ্রতিনিধিদের সমর্থন করেছিলেন। এখন তাঁদের প্রত্যাশা উপেক্ষা করা হচ্ছে। তবে ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই দাবির নেপথ্যে রয়েছে নেপালের ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হিংসা। গত ২৬ জুলাই রাত থেকে ভয়ংকর হিংসায় জ্বলছে নেপাল। বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও, বহু জায়গায় এখনও উত্তেজনা রয়েছে। অন্তত ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে, আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

Advertisement

গত ২৬ জুলাই রাত থেকে ভয়ংকর হিংসায় জ্বলছে নেপাল। বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও, বহু জায়গায় এখনও উত্তেজনা রয়েছে।

এই ঘটনার জেরে নেপালের হিন্দু সংগঠনগুলির তরফে সরকারের কাছে ১৫ দফা স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে প্রধান দাবি হল, নেপালকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হোক। পাশাপাশি সুনসারি জেলার দেওয়ানগঞ্জের হিংসার ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত ও অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি করা হয়েছে। যে আধিকারিকরা সেদিন গুলি চালিয়েছিলেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের দাবি উঠেছে। এছাড়াও নিহতদের শহিদের মর্যাদা ও তাঁদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ, আহতদের পর্যাপ্ত চিকিৎসার দাবি করেছে হিন্দু সংগঠন। শুধু তাই নয়, রোহিঙ্গা, বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করে দেশছাড়া করা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করার দাবিতে সোচ্চার হয়েছে নেপালের জনতা। ১৯৯০ সালের পর যাঁদের নেপালের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে, সেগুলিও খতিয়ে দেখারও দাবি উঠেছে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ বছর ধরে গোটা বিশ্বের মধ্যে একমাত্র হিন্দু রাষ্ট্র ছিল নেপাল। নেপালের রাজারা নিজেদের হিন্দু ধর্মের রক্ষক বলে মনে করতেন। তবে ২০০৬ সালে গণআন্দোলন ও রাজতন্ত্রের পতন ঘটে। এরপর ২০০৭ সালে অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধানে নেপালকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়। মুছে যায় নেপালে ‘হিন্দু রাষ্ট্র’-এর মর্যাদা। প্রায় ২০ বছর পর হিন্দুরাষ্ট্র পুনর্বহালের দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠল নেপাল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.