Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Sushila Karki

বিমান অপহরণে জড়িত স্বামী! স্ত্রী সুশীলা নেপালের প্রধানমন্ত্রী হতেই চর্চায় ‘পুরনো কাসুন্দি’

সুশীলার স্বামী দুর্গাপ্রসাদ সুবেদীকে জেলও খাটতে হয়েছিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৫, ২১:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৫, ২১:০২

options
link
বিমান অপহরণে জড়িত স্বামী! স্ত্রী সুশীলা নেপালের প্রধানমন্ত্রী হতেই চর্চায় ‘পুরনো কাসুন্দি’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘জেন জি’ বিক্ষোভে নেপালে উৎখাত হয়েছে কেপি শর্মা ওলির সরকার। শুক্রবার রাতে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন নেপালের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি। ৭৩ বছর বয়সি এই সুশীলা কারকিকে নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে গোটা বিশ্বে। উঠে আসছে তাঁর স্বামীর অতীত ‘দুষ্কর্ম’। বেশ কয়েক বছর আগে নেপালে এক বিমান অপহরণের ঘটনায় যুক্ত ছিলেন সুশীলার স্বামী দুর্গাপ্রসাদ সুবেদী। সেই অপরাধে জেলও খাটতে হয় তাঁকে।

সুবেদীর সঙ্গে সুশীলার সাক্ষাৎ ভারতে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়। সেই সময় নেপালি কংগ্রেসের যুবনেতা ছিলেন দুর্গাপ্রসাদ সুবেদী। সেই সাক্ষাৎ গড়ায় প্রেমে। বিয়ে করেন দু’জনে। নিউইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯৭৫ সালে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করেন সুশীলা। তার আগে ১৯৭৩ সালের ১০ জুন নেপালি কংগ্রেস একটি বিমান অপহরণ করে। সেই অপহরণে অভিযুক্ত ছিলেন সুশীলার স্বামী দুর্গাপ্রসাদ সুবেদী। এছাড়াও তাঁর সহযোগী হিসেবে উঠে আসে নগেন্দ্র ধুঙ্গেল এবং বসন্ত ভট্টরাই-এর নাম।

Advertisement

ওই সময়ে নেপালের রাজা মহেন্দ্রর বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন চলছিল সে দেশে। নেপাল কংগ্রেসের দাবি ছিল, দেশে রাজতন্ত্র ধ্বংস করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। সেই আন্দোলনের জন্য অর্থসংগ্রহ করতে এই বিমান অপহরণ করা হয়। অপহরণের ব্লু প্রিন্ট সাজান গিরিজা প্রসাদ কৈরালা। যিনি পরে চারবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী পদে বসেন। তৎকালীন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টে জানা যায়, তিনজন সশস্ত্র ব্যক্তি দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট একটি নেপালি বিমান অপহরণ করে। যে বিমানে মজুত ছিল নেপাল স্টেট ব্যাঙ্কের বিপুল পরিমাণ টাকা। অপহরণকারীরা বিমানটিকে ভারতে নিয়ে যায়। বিহারের ফোর্বসগঞ্জে বিমানটি অবতরণ করানো হয়। সেখানে অপহরণকারীদের আরও ৫ জন আগে থেকেই ছিলেন। তারমধ্যে অন্যতম সুশীল কৈরালা। এরপর সেখান থেকে প্রায় ৪ লক্ষ ডলার ভর্তি তিনটি বাক্স নামিয়ে বিমানটিকে ফিরে যেতে বলা হয়। টাকা নিয়ে জঙ্গলে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।

যদিও এই ঘটনার এক বছরের মধ্যে ভারতের তদন্তকারীরা ধুঙ্গেল ছাড়া বাকি অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে। নেপালে সদ্য প্রধানমন্ত্রী পদে বসা সুশীলার স্বামী সুবেদী ও অন্যান্য সকলের কারাদণ্ড হয়। ভারতের জেলে ২ বছর সাজা খাটেন তাঁরা। এরপর ১৯৮০ সালে গণভোটে আগে নেপালে ফিরে আসেন তাঁরা। পরে, রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত অবসরপ্রাপ্ত নেপালি রাষ্ট্রদূত দীনেশ ভট্টরাই ২০১৪ সালে রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, সেই সময় রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে চলতে থাকা লড়াই এগিয়ে নিয়ে যেতে অর্থের প্রয়োজন ছিল। বিমান অপহরণের পর সেই অর্থ দলের কাজে ব্যবহার করা হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.