Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
Nepal Flash Flood

হড়পা বানে ভয়ংকর অবস্থা নেপালে! ভাঙল সেতু, জলের নিচে গ্রাম, বহু মৃত্যুর আশঙ্কা

বুধবার সকাল ৯টা নাগাদ ভোটেকোশী নদীর জলস্তর ভয়ংকরভাবে বেড়ে গিয়ে ভেসে গেল রসুবা জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। জলের নিচে চলে গেল গ্রামের পর গ্রাম।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ১৫:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ১৫:১৩

options
link
হড়পা বানে ভয়ংকর অবস্থা নেপালে! ভাঙল সেতু, জলের নিচে গ্রাম, বহু মৃত্যুর আশঙ্কা zoom
হড়পা বানে বিপর্যস্ত নেপাল। ছবি সংগৃহীত।
Advertisement

তিব্বত থেকে ধেয়ে আসা হড়পা বানে তছনছ নেপাল। বুধবার সকাল ৯টা নাগাদ ভোটেকোশী নদীর জলস্তর ভয়ংকরভাবে বেড়ে গিয়ে ভেসে গেল রসুয়া জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। জলের নিচে চলে গেল গ্রামের পর গ্রাম। ভেসে গিয়েছে বহু বাড়ি-ঘর, সেতু, যানবাহন। তিব্বত সিমান্তবর্তী তিমুরে দায়িত্বে থাকা ৯ পুলিশকর্মী নিখোঁজ হয়েছেন। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে উদ্ধারকাজে নামানো হয়েছে হেলিকপ্টার। বিপর্যয়ে বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত ৮ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। 

জানা যাচ্ছে, এই বিপর্যয়ের সূত্রপাত তিব্বতে। আকস্মিক বন্যার জেরে রীতিমতো ধ্বংসযজ্ঞ চলে রসুয়া জেলায়। ঘটনার সময় তিমুর সীমান্তে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বহু পুলিশকর্মী এই হড়পা বানের কবলে পড়েন। আধিকারিকদের মতে, ঘটনার পর সীমান্ত চৌকি থেকে ২৫-৩০ জনকে উদ্ধার করা হলেও ৯ জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। তারা কী অবস্থায় রয়েছে তা এখনও স্পষ্ট অন্য। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। এদিকে প্রবল জলের তোড়ে তিমুর ও স্যাফ্রুবেসি এলাকায় বহু ঘরবাড়ি, যানবাহন ভেসে গিয়েছে। একটি সেতুও ভেসে গিয়েছে জলের তোড়ে।

Advertisement

নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ রসুয়ার বন্যা কবলিত এলাকায় উদ্ধারকাজ শুরু করতে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও উদ্ধারকারী দলকে নির্দেশ দিয়েছেন।

গুরুতর এই পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধারকাজে নেমেছে প্রশাসন। নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুগলিন এলাকা-সহ ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে। নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ রসুয়ার বন্যা কবলিত এলাকায় উদ্ধারকাজ শুরু করতে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও উদ্ধারকারী দলকে নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যান্য জেলা থেকেও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা কর্মী পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, চিকিৎসক দল, স্কাউট, রেড ক্রস এই বিপর্যয় মোকাবিলায় নেমে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে অতিরিক্ত অ্যাম্বুল্যান্স ও চিকিৎসাকর্মীদের পাঠানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ভোটেকোশী নদী তিব্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে নেপালে প্রবেশ করেছে। এখানে সুনকোশী নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। পরে এই নদী সপ্তকোশী নদীতে পরিণত হয়ে ভারতের বিহারে প্রবেশ করেছে। গত বছর এই ভোটেকোশী নদীতে বন্যার জেরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল নেপালে। যার জেরে ৯ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি নিখোঁজ হন ২৪ জন। নেপাল ও চিনের সংযোগকারী মৈত্রী সেতু ভেসে যায় বন্যায়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.