Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬
NATO

প্রতিরক্ষা ব্যয় থেকে ইউরোপে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার! ঘোর সংকটে ন্যাটো, তুরস্কের বৈঠকে মিলবে সুরাহা?

সম্প্রতি ন্যাটো সদস্যরা ২০৩৫ সালের মধ্যে তাদের মোট জিডিপির ৫ শতাংশ নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করার বিষয়ে সমর্থন জানিয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও মতবিরোধ রয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৬:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৬:২৪

options
link
প্রতিরক্ষা ব্যয় থেকে ইউরোপে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার! ঘোর সংকটে ন্যাটো, তুরস্কের বৈঠকে মিলবে সুরাহা? zoom
একাধিক সমস্যার জেরে গভীর সংকটে ন্যাটো।

ইউরোপ থেকে নিজেদের সেনা প্রত্যাহারের তোরজোড় শুরু করে দিয়েছে আমেরিকা। তার মাঝেই প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে সদস্যদেশগুলির মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার তুরস্কের আঙ্কারায় শুরু হয়েছে ওয়াশিংটন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন। দু’দিনের এই সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন ন্যাটো সদস্যভুক্ত ৩২টি দেশের নেতারা। পাশাপাশি, সেখানে উপস্থিত থাকার কথা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিরও। প্রশ্ন উঠছে, আঙ্কারর বৈঠকে সমস্যায় জর্জরিত ন্যাটো কি সমাধানের রাস্তা খুঁজে পাবে না কি ফাটল আরও স্পষ্ট হবে?

বর্তমান পরিস্থিতিতে ন্যাটোর সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হল আমেরিকার অবস্থান। ওয়াশিংটন ইউরোপে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি ধীরে ধীরে কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছে। একইসঙ্গে ইউরোপীয় দেশগুলিকে নিজেদের নিরাপত্তার দায় নিজেদেরকেই বহন করার বার্তা দিয়েছে, যা নিয়ে উদ্বিগ্ন ইউরোপীয় দেশগুলি। অন্যদিকে, প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টিতেও অস্বস্তিতে ইউরোপীয় দেশগুলি। ন্যাটোর নেতৃত্ব চাইছে সদস্য দেশগুলি আরও বেশি অর্থ সামরিক খাতে ব্যয় করুক এবং অস্ত্র উৎপাদন বাড়াক। এখানেই মতানৈক্য সৃষ্টি হয়েছে। কারণ, সব দেশ এটিতে সহমত নয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সম্প্রতি ন্যাটো সদস্যরা ২০৩৫ সালের মধ্যে তাদের মোট জিডিপির ৫ শতাংশ নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করার বিষয়ে সমর্থন জানিয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও মতবিরোধ রয়েছে। আমেরিকা এবং পূর্ব ইউরোপের কয়েকটি দেশের বক্তব্য, রাশিয়ার হুমকি মোকাবিলায় প্রতিরক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ ব্যয় জরুরি। কিন্তু ন্য়াটো সদস্যভুক্ত কিছু দেশ আবার বলছে, প্রতিরক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ ব্যয় তাদের পক্ষে অর্থনৈতিকভাবে কঠিন। সব দেশের জন্য একই লক্ষ্য বাস্তবসম্মত নয়। এছাড়াও এই বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গও থাকবে। কিয়েভকে সামরিক ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখার বিষয়ে নীতিগত ঐক্যমত থাকলেও, সেই সহায়তার পরিমাণ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে সদস্যদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। পাশাপাশি, ইউরোপে রুশ আগ্রাসনের বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পাবে বলে সূত্রের খবর।

আঙ্কারার এই বৈঠকটি শুধু একটি সধারণ ন্যাটো সম্মেলন নয়। এই বৈঠক থেকেই স্পষ্ট হতে পারে আগামী দিনে ইউরোপের নিরাপত্তা পরিকাঠামো। কতটা সেটি মার্কিন নির্ভর থাকবে, কতটা ইউরোপ তার নিজের কাঁধে তুলে নিতে পারবে। যদি সদস্যরা প্রতিরক্ষা ব্যয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছতে পারে, তাহলে এটি ন্যাটোর জন্যই সুখকর হবে। কিন্তু মতবিরোধ যদি আরও প্রকট হয়, তাহলে জোটের ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হবে। সেক্ষেত্রে তৈরি হতে পারে ভাঙনের আশঙ্কাও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.