Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Myanmar

পাঁচ বছর পর অবশেষে নির্বাচন! মায়ানমারে ফিরবে গণতন্ত্র, নাকি মসনদে জুন্টার পুতুল?

বিশেষজ্ঞদের মতে, পুতুল সরকারের মাধ্যমে ক্ষমতার উপরে সেনার হাত আরও শক্ত হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৮:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৮:০৭

options
link
পাঁচ বছর পর অবশেষে নির্বাচন! মায়ানমারে ফিরবে গণতন্ত্র, নাকি মসনদে জুন্টার পুতুল? zoom
ছবি সংগৃহীত

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের পড়শি দেশ মায়ানমারে কি অবশেষে ফিরতে চলেছে শান্তি? সামরিক শাসন শেষে প্রতিষ্ঠা হবে গণতন্ত্র? নাকি ফের একবার গণতন্ত্রের নামে প্রহসন হবে সে দেশে? পাঁচ বছরে প্রথমবার নির্বাচন হতে চলেছে সেই দেশে। তিন দফায় হবে ভোট। আগামী রবিবার প্রথম দফার নির্বাচন। নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই এই সব প্রশ্ন বাড়ছে মায়ানমারজুড়ে।

রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর মায়ানমারে সাধারণ নির্বাচনের প্রথম দফা অনুষ্ঠিত হবে। পাঁচ বছরে এটাই সেদেশের প্রথম ভোট। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে এই নির্বাচন পাঁচ বছরের সেনা শাসনে প্রায় ভাঙতে বসা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে পারবে না। কঠোর সামরিক শাসনের ফলে তৈরি হওয়া ধ্বংসাত্মক গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারবে না বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Advertisement

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই নির্বাচনের মাধ্যমে সেদেশে গণতন্ত্র ফেরানোর কোনও প্রচেষ্টা করছে না সেনা। বদলে একটি পুতুল সরকারের মাধ্যমে ক্ষমতার উপরে তাদের হাত আরও শক্ত হবে।

চার বছর আগে নোবেল জয়ী আং সান সু কি-র নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে, শাসনভার দখল করে সেনা। তারপর থেকেই দেশের অভ্যন্তরে চরমে পৌঁছেছে গৃহযুদ্ধ। সেই কারণেই যুদ্ধ বিদ্ধস্ত বহু এলাকায় কীভাবে নির্বাচন হবে সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।

মোট তিন দফায় নির্বাচন হবে দেশে। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হবে ১১ জানুয়ারি। শেষ দফার নির্বাচন হবে ২৫ জানুয়ারি। ২০২১ সালে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করে। ২০২০ সালের নির্বাচন সু কি-র ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি বিপুল ভোটে জয়লাভ করে। সেনা অভিযোগ করে, সেই নির্বাচনে ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করার বিষয়ে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে।

৩৩০ শহরের মধ্যে ১০২ শহরে নির্বাচন হবে রবিবার। জানা গিয়েছে, গৃহযুদ্ধের কারণে ৬৫ শহরে ভোট হবে না। ৫৭টি দল এই নির্বাচনে যোগ দিলেও বেশিরভাগ দল নিজেদের প্রদেশের বাইরে প্রার্থী দেয়নি বলেই জানা গিয়েছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, সেনাপন্থী দল ইউএসডিপি দেশের ক্ষমতা দখল করবে।

মায়ানমারের অশীতিপর নেত্রী আং সান সু কি নিজে এবং তাঁর দল এই নির্বাচনে লড়ছে না। কিন্তু, আদৌ বেঁচে আছেন মায়ানমারের নোবেল জয়ী ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী আং সান সু কি? সম্প্রতি এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তাঁর ছেলে কিম অ্যারিস। তিনি রয়েছেন লন্ডনে। সেখান থেকেই সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের কাছে সংশয় প্রকাশ করে কিম বলেন, দীর্ঘ সময় জনসমক্ষে দেখা যায়নি তাঁর মা-কে। তাঁর প্রশ্ন, “কী করে বুঝব উনি বেঁচে আছেন?” এমন মন্তব্যের পরই সু কি-র মৃত্যু ঘিরে গুঞ্জন বাড়ছিল। এবার সেই প্রসঙ্গে মুখ খোলে জুন্টা। জানিয়ে দেয়, সু কি-র স্বাস্থ্য ভালোই রয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.