Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Donald Trump

‘আমেরিকা থেকে পাততাড়ি গোটাতে হবে’, মাস্কের ‘বাড়াবাড়ি’তে হুমকি ক্ষুব্ধ ট্রাম্পের

'ব্যবসা বন্ধ করে দক্ষিণ আফ্রিকায় ফিরতে হবে', হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৫, ১৪:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৫, ১৪:৩৯

options
link
‘আমেরিকা থেকে পাততাড়ি গোটাতে হবে’, মাস্কের ‘বাড়াবাড়ি’তে হুমকি ক্ষুব্ধ ট্রাম্পের zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেশি বাড়াবাড়ি করলে টেসলা কর্তা এলন মাস্ককে আমেরিকা থেকে পাততাড়ি গোটাতে হবে। তল্পিতল্পা গুটিয়ে ফিরে যেতে হবে দক্ষিণ আফ্রিকায়। মাস্কের সঙ্গে সংঘাতের মাঝেই এবার কড়া সুরে এমনই হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, মাস্কের সংস্থার সমস্ত ভর্তুকি বন্ধ করে দেওয়া হবে।

ট্রাম্প এবং মাস্কের সম্পর্কের অবনতির সূত্রপাত ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল’কে কেন্দ্র করে। যে বিলের উদ্দেশ্য কর ও সরকারের ব্যয় সংকোচ। শুরু থেকেই এই বিলের ঘোর বিরোধী এলন মাস্ক। গত সোমবার মার্কিন সেনেটে আলোচনা হয় এই বিল। এর পরই সুর চড়িয়ে টেসলা কর্তা জানান, এই বিল পাশ হলে মার্কিন রাজনীতিতে এক নতুন দল খুলবেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘এই বিল পাশ হওয়ার পর দিনই ‘আমেরিকা পার্টি’ তৈরি হবে। যাতে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকাবনের বাইরে দেশের মানুষ বিকল্প দলের মাধ্যমে তাঁদের কণ্ঠস্বর খুঁজে পান।’ মাস্কের এই হুমকির পরই তেলে-বেগুনে জ্বলে ওঠেন ট্রাম্প। স্পষ্ট ভাষায় জানান, মাস্ক আমেরিকায় ব্যবসা করতে যত পরিমাণ ভর্তুকি পেয়েছেন তা অতীতে কেউ পাননি। এই ভর্তুকি না পেলে মাস্ককে এখানকার ব্যবসা বন্ধ করে দক্ষিণ আফ্রিকায় ফিরে যেতে হবে। প্রসঙ্গত, মার্কিন নাগরিক হলেও এলন মাস্কের জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকায়।

Advertisement

শুধু তাই নয় ট্রাম্পের আরও দাবি, তাঁকে সমর্থন করার আগে থেকেই মাস্ক জানতেন তিনি বৈদ্যুতিন গাড়ির বিরোধী। বৈদ্যুতিন গাড়ি ভালো কিন্তু তা কিনতে কাউকে বাধ্য করা উচিত নয় বলে জানান ট্রাম্প। হুঁশিয়ারির সুরে এক্স হ্যান্ডেলে ট্রাম্প লেখেন, ‘ভর্তুকি বন্ধ করে দিলে আর কোনও রকেট উৎক্ষেপণ, স্যাটেলাইট বা বৈদ্যুতিন গাড়ি থাকবে না। আমাদের দেশের ভাগ্য ফিরবে। হয়ত আমাদের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ডিওজিকে বিষয়টি কঠোর ভাবে দেখতে বলা উচিত। এর ফলে আমাদের অনেক অর্থ বেচে যাবে।’

উল্লেখ্য, ট্রাম্প এবং মাস্কের সম্পর্কের অবনতির সূত্রপাত ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল’কে কেন্দ্র করে। মাস্ক দাবি করেন, এই বিল নিয়ে আমায় কিছু জানানো হয়নি। চুপিচুপি মধ্যরাতে এটি পাশ করা হয়েছে। এরপর ট্রাম্পের বিলের সমালোচনা করে প্রশাসনিক উপদেষ্টার পদ ছাড়েন টেসলা কর্তা। পাশাপাশি শুরু হয় বাদানুবাদ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হতাশার সুরে বলেছিলেন, ‘‘মাস্কের আচরণ হতাশাজনক।” পালটা এলন মাস্ক দাবি করেন, তাঁকে ছাড়াই জিততে পারতেন না ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের দখল নিতেন ডেমোক্র্যাটরা। সরকারি ব্যয় সংকোচের যে বিল নিয়ে এত সংঘাত ক্ষমতায় এসেই সেই দপ্তরের প্রধান করা হয়েছিল এলন মাস্ককে। যদিও সংঘাতের জেরে সেই দপ্তর থেকে ইস্তফা দিয়েছেন টেসলা কর্তা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.