সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এই মাঠে মুখোমুখি হয়েছিল আর্সেনাল এবং চেলসি। আয়তনে এই মাঠ এমিরেটস এবং স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের চেয়েও বড়। কিন্তু এবার ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল মালয়েশিয়ার সেই বিখ্যাত শাহ আলম স্টেডিয়াম। চার বছর আগে এই স্টেডিয়ামটিকে দর্শকদের জন্য বিপজ্জনক বলে ঘোষণা করা হয়। অবশেষে বুধবার স্টেডিয়ামটি ভেঙে দেওয়া হল।
মালয়েশিয়ার সেরা ফুটবল স্টেডিয়ামগুলোর মধ্যে অন্যতম এই শাহ আলম। ৮০ হাজারেরও বেশি দর্শক একসঙ্গে বসে খেলা দেখতে পারতেন এই মাঠে। ২০১১ সালে এশিয়া সফরে এসেছিল প্রিমিয়ার লিগের দুই ক্লাব আর্সেনাল এবং চেলসি। তখন এই মাঠেই প্রদর্শনী ম্যাচ খেলেছিল দুই দল। কেবল ফুটবল নয়, এই মাঠে পারফর্ম করেছে বিশ্বখ্যাত একাধিক ব্যান্ড। মেরুন ৫, বোন জভি, ডিপ পার্পলের মতো ব্যান্ডের কনসার্ট আয়োজিত হয়েছে মালয়েশিয়ার এই মাঠে। মালয়েশিয়ার জাতীয় ফুটবল দলও বহু ম্যাচ খেলেছে শাহ আলম স্টেডিয়ামে।
১৯৯৪ সালে তৈরি হয় এই স্টেডিয়ামটি। মালয়েশিয়ার জাতীয় লিগ সেলাঙ্গরের ঘরের মাঠ হিসাবেই স্টেডিয়ামটি ব্যবহৃত হত। কিন্তু ২০২০ সালে জানানো হয়, দর্শকদের জন্য মোটেই নিরাপদ নয় এই স্টেডিয়াম। তাই গোটা স্টেডিয়াম একেবারে ভেঙে গুঁড়িয়ে ফেলে নতুন করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। আগামী ২০২৯ সালের মধ্যে নতুন করে শাহ আলম স্টেডিয়াম তৈরি করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে বুধবার এই স্টেডিয়াম একেবারে গুঁড়িয়ে ফেলা হয়। গোটা ঘটনার ভিডিও করা হয়। সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়ায়। তবে সেখানকার ধ্বংসাবশেষ সাফ করতেই চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত সময় লেগে যাবে। তার পরে শুরু হবে স্টেডিয়াম পুনর্নির্মাণের কাজ। তবে নতুন স্টেডিয়ামে ৪৫ হাজারের বেশি দর্শকাসন রাখা যাবে না। নিরাপদভাবে গড়ে তোলা হবে শাহ আলম স্টেডিয়াম।
Akhirnya menyembah bumi dah Stadium Shah Alam.. pic.twitter.com/9W6tPqKrYz
— #UpdateInfo🇲🇾🌍 (@update11111) September 13, 2024
সর্বশেষ খবর
-
INDIA জোট ছাড়ল স্ট্যালিনের ডিএমকে, মমতার বৈঠকের আগেই ভাঙন বিরোধী শিবিরে
-
সোনা বিক্রি জল্পনার মধ্যেই রেপো রেট নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত আরবিআইয়ের, কী হবে আমজনতার?
-
‘ধর্মের কল বাতাসে নড়ে’, স্বরূপ গ্রেপ্তার হতেই ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’ নিয়ে সরব ঋদ্ধি থেকে শ্রীলেখা
-
টিম ইন্ডিয়ায় ফিরলেন রুতুরাজ, কোহলির চোটে শিকে ছিঁড়ল পাতিদারেরও
-
সই কাণ্ডে এখনই স্বস্তি নয় অভিষেকের! হাই কোর্টে খারিজ দ্রুত শুনানির আবেদন