Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Maduro

‘হিংস্র লোক মাদুরো, আমার নাচ নকল করেছিল’, ক্ষোভ উগরে দিলেন ট্রাম্প

মাদুরোর নাচেই ধৈর্যের বাঁধ ভেঙেছিল ট্রাম্প প্রশাসনের?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ১০:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ১০:৫৮

options
link
‘হিংস্র লোক মাদুরো, আমার নাচ নকল করেছিল’, ক্ষোভ উগরে দিলেন ট্রাম্প zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি মঞ্চে কোমার দোলান মাঝেমধ্যে। আচরণে যতই ‘বদমেজাজি’ হোন না কেন, স্বভাবে খানিক আমুদেও বটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর নাচের ভিডিও ভাইরালও হয়। সেই নাচই কিনা নকল করেছিলেন ভেনেজুয়েলার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো! রীতিমতো অভিযোগের সুরে একথা বলতে শোনা গেল তাঁকে।

ওয়াশিংটনের কেনেডি সেন্টারে রিপাবলিকানদের মাঝে দাঁড়িয়ে বক্তব্য রাখার সময় ট্রাম্প বলেন, ”মাদুরো আমার নাচ নকল করার চেষ্টা করেছিল একটু আধটু। কিন্তু লোকটা হিংস্র। লক্ষ লক্ষ মানুষ মেরেছে। অত্যাচার করত। কারাকাসের মাঝখানে একটা অত্যাচার কক্ষও ছিল, যেটা এখন ওরা বন্ধ করে দিয়েছে।” পাশাপাশি নিজের নাচ সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, তাঁর স্ত্রী একদমই তাঁর নাচ পছন্দ করেন না। কিন্তু বাকিরা সকলেই ভালোবাসে তাঁর কোমর দোলানো দেখতে।

Advertisement

উল্লেখ্য, বরাবরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অপছন্দের তালিকায় শীর্ষে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট। দীর্ঘ দিন ধরে সামরিক উত্তেজনা চলছে দুই দেশের। এই পরিস্থিতিতে মাদুরোর তাঁর নিজের শান্তির স্লোগান ‘শান্তি হ্যাঁ, যুদ্ধ না’ স্লোগান থেকে তৈরি ‘পাজ সি, গুয়েরো নো’ নামের এক রিমিক্সেই কোমর দুলিয়েছিলেন। প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ মিরোফ্লোরস প্যালেসেই এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই দেখা যায় মাদুরোর নাচ। তাঁর চারপাশে ছিল অনুরাগীদের ভিড়। হাতে ভেনেজুয়েলার পতাকা। লাল বেসবল টুপি ছিল মাথায়। সকলেরই জানা, এটা ট্রাম্পের ‘MAGA’র প্রতীক। এভাবেই ভেনেজুয়েলার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো সেদিন ‘জবাব’ দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। এই নকলনবিশি নাচ যে ট্রাম্পের ভালো লাগেনি, সেটা আগেই দাবি করেছিল ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’। সেদিন মাদুরোর সেই নাচেই নাকি ধৈর্যের বাঁধ ভেঙেছিল ট্রাম্প প্রশাসনের। সেদিনই স্থির হয়ে যায়, মাদুরোর সঙ্গে ঠিক কী করা হবে। এদিন ট্রাম্পের মন্তব্য ফের সেই সম্ভাবনাকে উসকে দিল।

উল্লেখ্য, গভীর রাতে মাদুরোকে অপহরণ করে আমেরিকা। ভেনেজুয়েলায় মাত্র দু’ঘণ্টার অভিযানে প্রেসিডেন্টের বাসভবনের শোয়ার ঘর থেকে সস্ত্রীক মাদুরোকে তুলে নিয়ে গিয়ে বন্দি করা হয়। আমেরিকায় তাঁকে নিউ ইয়র্কের কুখ্যাত ব্রুকলিন জেলে রাখা হয়েছে। মাদুরোকে বন্দি করার পর আমেরিকা জানিয়েছিল, নিউ ইয়র্কের আদালতে তাঁর বিচার হবে। সেখানে নিজেকে ‘যুদ্ধবন্দি’ বলে দাবি করেন মাদুরো।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.