Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
China

মানুষকে টেক্কা রোবটের! ৩৮ মাসেই বিশ্বের বৃহত্তম রেল স্টেশন বানাল যন্ত্রমানবেরা, কীভাবে ‘অসাধ্যসাধন’?

একসঙ্গে ১৬ হাজার যাত্রী ব্যবহার করতে পারবেন এই স্টেশন!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২৬, ১১:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২৬, ১১:৫১

options
link
মানুষকে টেক্কা রোবটের! ৩৮ মাসেই বিশ্বের বৃহত্তম রেল স্টেশন বানাল যন্ত্রমানবেরা, কীভাবে ‘অসাধ্যসাধন’? zoom
ছবি এআই নির্মিত।
Advertisement

বিশ্বের বৃহত্তম স্টেশন অবস্থিত চিনে। সত্যিই সারা পৃথিবীর কাছে এক বিস্ময় চংকিং ইস্ট রেলওয়ে স্টেশন। মাত্র ৩৮ মাসে নির্মিত এই স্টেশন তৈরি করেছে রোবট বাহিনী! ২০২৫ সালের মে মাসে এই স্টেশন জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। একবছর পেরলেও বিস্ময় এখনও যায়নি যেন! অফিস টাইমে একসঙ্গে ১৬ হাজার যাত্রী ব্যবহার করতে পারবেন এই স্টেশন। স্বাভাবিক ভাবেই কৌতূহল জাগছে, কীভাবে এত বিরাট এক স্টেশন মোটামুটি তিন বছরেই বানিয়ে তোলা সম্ভব হল?

সম্প্রতি এই স্টেশন নিয়ে জল্পনা উসকে দিয়েছেন ধনকুবের এলন মাস্ক। টেসলা ও এক্সের মালিক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে চিন সফরে এসেছিলেন। সেই সময়ই তিনি স্টেশন নির্মাণের একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। তিনি কেন এমন করলেন তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। কেননা মাস্ক বরাবরই গণ পরিবহণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে এসেছেন। কিন্তু তাঁর এহেন পোস্টের চেয়েও বেশি কৌতূহল জাগাচ্ছে স্টেশন নির্মাণের ‘গল্প’! তবে এমনটা মনে করা হচ্ছে, এর মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে মাস্কের পোস্ট-রহস্যও!

Advertisement

অফিস টাইমে একসঙ্গে ১৬ হাজার যাত্রী ব্যবহার করতে পারবেন এই স্টেশন। স্বাভাবিক ভাবেই কৌতূহল জাগছে, কীভাবে এত বিরাট এক স্টেশন মোটামুটি তিন বছরেই বানিয়ে তোলা সম্ভব হল?

চিনের চংকিং শহরটির দ্রুত সম্প্রসারণের ফলে চংকিং নর্থের মতো স্টেশনগুলির মাধ্যমে সমস্ত যাত্রীকে পরিষেবা দেওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছিল। আর এই জায়গা থেকেই একটি বৃহৎ স্টেশনের পরিকল্পনা। এবং তা করতে হত দ্রুত। আর সেই কারণেই আয়তনের বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম রেলওয়ে স্টেশন গড়ে তোলার পরিকল্পনা। মোট ১.২২ মিলিয়ন বর্গমিটার এলাকা জুড়ে তৈরি স্টেশনটিতে মোট ১৫টি প্ল্যাটফর্ম এবং ২৯টি রেললাইন রয়েছে, যা তিনটি পৃথক রেল ইয়ার্ডে বিভক্ত।

এই বিরাট কাজটা ৩৮ মাসে করে ফেলার পর একে ‘রোবট বিপ্লব’ বলা হচ্ছে। প্রায়শই ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার খর চোখরাঙানি, এবড়ো খেবড়ো জমির মতো প্রতিকূলতার কারণেই উন্নত রোবটিক্সের উপর নির্ভর করতে হচ্ছিল। LiDAR, AI এবং 5G প্রযুক্তিতে সুসজ্জিত লেজার-নির্দেশিত চার-চাকাযুক্ত স্ক্রিড রোবটগুলি মানুষের তিনগুণ দ্রুততায় ও নির্ভুল ভাবে কাজটি সম্পন্ন করেছে। সেই সঙ্গে শ্রমব্যয় ৪০ শতাংশ কমে গিয়েছে। কাচ স্থাপনের কাজে নিয়োজিত রোবটেরা ৮০০ কেজি ওজনের প্যানেলগুলো অত্যন্ত নিরাপদে ও নিখুঁতভাবেই পরিচালনা করেছে।

চিনের চংকিং শহরটির দ্রুত সম্প্রসারণের ফলে চংকিং নর্থের মতো স্টেশনগুলির মাধ্যমে সমস্ত যাত্রীকে পরিষেবা দেওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছিল। আর এই জায়গা থেকেই একটি বৃহৎ স্টেশনের পরিকল্পনা। 

এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি ৯০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টাই টহলরত রোবটও অত্যন্ত দ্রুত ও নিরাপদে কাজ সম্পন্ন করতে সাহায্য করেছে। মনে করা হচ্ছে, ঠিক এই কারণেই মাস্ক ভিডিওটি শেয়ার করেছেন। কেবল রোবটিক্স, কিংবা দ্রুতগতির কাজের পাশাপাশি চিনের দীর্ঘমেয়াদী সক্ষমতার কথাই বলতে চেয়েছেন তিনি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.