Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Karoline Leavitt

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির কোপে প্রেস সচিবের পরিবার! মুখে কুলুপ ক্যারোলিন লেভিটের

বর্তমানে তিনি লুইজিয়ানায় আটক রয়েছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৬:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৬:৫৭

options
link
ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির কোপে প্রেস সচিবের পরিবার! মুখে কুলুপ ক্যারোলিন লেভিটের zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ট্রাম্পের অভিবাসন বিরোধী নীতির কোপে এবার তাঁরই প্রেস সচিবের পরিবার। আইসিই আধিকারিকরা আটক করেন ক্যারোলিন লেভিটের (Karoline Leavitt) দাদার প্রাক্তন সঙ্গি ব্রুনা ক্যারোলিনা ফেরেইরাকে। জানা গিয়েছে, তাঁকে ব্রাজিলে ফেরত পাঠানো হতে পারে। বর্তমানে তিনি লুইজিয়ানায় আটক রয়েছেন।

জানা গিয়েছে, ট্রাম্পের প্রেস সচিব মাইকেল লেভিটের প্রাক্তন সঙ্গি। মাইকেল নিউ হ্যাম্পশায়ারের বাসিন্দা। বিচ্ছেদের আগে এই দম্পতির একটি ১১ বছর বয়সি ছেলে রয়েছে। যদিও বিচ্ছেদের পর থেকেই দু’জনের মধ্যে কোনও যোগাযোগ নেই বলেও জানানো হয়েছে। বিচ্ছেদের পর থেকে শিশুটি ক্যারোলিনের দাদার কাছেই থাকেন বলে দাবি।

Advertisement

এই মাসের শুরুতে ম্যাসাচুসেটসের রেভের থেকে ব্রুনাকে আটক করা হয়। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ব্রুনা একজন ‘অবৈধ বিদেশী অপরাধী’। তিনি নিজের পর্যটক ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও আমেরিকায় রয়েছেন। ব্রাজিলের বাসিন্দা ব্রুনা বি২ পর্যটন ভিসায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। তাঁর ভিসার মেয়াদ ১৯৯৯ সালের জুনে শেষ হয়।

যদিও, এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি টাম্পের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট। পাশাপাশি, তাঁর ভাই মাইকেল লেভিটও এই বিষয়ে কিছু বলতে চাননি। তিনি জানিয়েছেন, ‘আমার একমাত্র উদ্বেগ সবসময়ই আমার ছেলের নিরাপত্তা, সুস্থতা এবং গোপনীয়তা নিয়ে।’

ইতিমধ্যে, ব্রুনার বোন তাঁর নির্বাসন প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে টাকা সংগ্রহ শুরু করেছেন। গ্রাজিয়েলা ডস সান্তোস রদ্রিগেজ, লড়াই করতে ৩০ হাজার ডলার সংগ্রহের জন্য একটি প্রচার শুরু করেছেন। জানা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত ১৪ হাজার ডলারেরও বেশি অর্থ সংগ্রহ হয়েছে। ব্রুনার আইনজীবী টড পোমেরলিউ জানান, তিনি ডেফার্ড অ্যাকশন ফর চাইল্ডহুড অ্যারাইভালস প্রোগ্রামের অধীনে আইন মেনেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন। এবং তার গ্রিন কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। যদিও, DHS-এর একজন মুখপাত্র বলেছেন যে DACA প্রাপকরা যদি কোনও অপরাধ করে থাকেন তাহলে তাঁরা সব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.