সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঠিকানা যেখানেই হোক না কেন, পুজো মানে এক আলাদা আবেগ, আলাদা অনুভূতি! পুজো উৎসবের, পুজো আনন্দের, পুজো ভক্তির। তাই বিদেশের মাটিতেও সব নিয়ম মেনে নিষ্ঠাভরে কালীপুজো করেন অস্ট্রেলিয়ার বাঙালি চিকিৎসক দম্পতি। ইচ্ছেটা নতুন নয়। নিজেদের একটা ঠিকানা হওয়ার পর থেকেই কালীপুজো করার মনষ্কামনা তীব্র হয়ে ওঠে। আর সেইমতো মেলবোর্নের শহরতলি ওয়ালার্টের অন্তর্গত ইয়ারোই ক্রেসেন্টে এই পুজো শুরু করেন তাঁরা।
আর এই পুজো নিয়ে স্বস্তিকা গঙ্গোপাধ্যায় জানাচ্ছেন, ড. প্রসেনজিৎ সেনগুপ্ত এবং ড. লাবণ্য সেনগুপ্তের বাড়ির কালীপুজোয় আয়োজন ছিল চমৎকার। বিদেশের মাটিতে বসেই একেবারে সনাতন রীতি মেনেই কালীপুজোর আয়োজন করেছিল ওই বাঙালি দম্পতি। স্বস্তিকার কথায়, ”এই ডক্টর দম্পতি দু’জনে বরাবরই মা কালীর ভক্ত। ২০ বছর আগে যখন তাঁরা হোস্টেল থাকতেন সেই সময় থেকেই নির্জলা উপবাস করতেন।”

স্বস্তিকা জানাচ্ছেন, ওঁরা সব সময়ই ভাবতেন যখন নতুন বাড়ি হবে, তখন কালীপুজো শুরু করবেন। সেই মতো ছ’বছর আগে যখন তাঁদের নতুন ঠিকানা হয়, এই এলাকা, এরপরই কালীপুজো শুরু করেন। স্বস্তিকা বলছেন, ডক্টর দম্পতির বাড়িটি গোকুলধাম নামেই পরিচিত। সনাতনী রীতি মেনেই তাঁরা করে থাকেন পুজো। যেখানে থাকে শুধুই ভক্তি আর ভাব। কলকাতার পুজোর থেকে যা কোনও অংশে কম নয়। হোক না বিদেশ বিভুঁই, দেশের মাটির স্বাদগন্ধ যতই থাক অধরা, কালীপুজোয় এই বঙ্গভূমির আবেগকে হৃদয়ে ধরে রাখেন ওই দম্পতি। যার প্রতিফলন সর্বাঙ্গীন ভক্তিভাবে টইটম্বুর পুজো আয়োজন।

দেবী দুর্গার বিদায়ে ভুবনে বিষাদের সুর। মা কালীর আরাধনার আনন্দে মন ভরে উঠেছে। আলোর উৎসবে মেতে উঠেছে বাংলা-সহ গোটা দেশ। আর সেই আলোর ছটা ছড়িয়ে পড়েছে বিদেশের মাটিতেও।
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক