Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
PoK

‘দম থাকলে উর্দি খুলে আসুন’, পাক সেনাকে খোলাখুলি চ্যালেঞ্জ অধিকৃত কাশ্মীরের জনতার

গত কয়েক দশক ধরে ভারতের তরফে যে দাবি করা হয়েছে তাতে সিলমোহর দিয়ে খান বলেন, পাকিস্তান সেনা মুজাহিদিন তৈরির আড়ালে স্থানীয় জনগণকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে সন্ত্রাসবাদের পাঁকে ঠেলে দিয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০২৬, ১৪:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০২৬, ১৪:৩৫

options
link
‘দম থাকলে উর্দি খুলে আসুন’, পাক সেনাকে খোলাখুলি চ্যালেঞ্জ অধিকৃত কাশ্মীরের জনতার zoom
পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চলছে বিক্ষোভ।
Advertisement

বন্দুকের নলে অধিকৃত কাশ্মীরকে দমন করছে পাক সেনা। নির্যাতন যত বাড়ছে, বিক্ষোভের আগুন আরও বিধ্বংসী আকার নিচ্ছে। সম্প্রতি অধিকৃত কাশ্মীরে ভোট গ্রহণ চলাকালীন পাক সেনার গুলিতে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যুর পর জনরোষ ভয়াবহ আকার নিয়েছে। আসিফ মুনিরের সেনাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে সেখানকার নাগরিক সংগঠন ‘জেএএসি’ বার্তা দিয়েছে, ‘যদি সাহস থাকে উর্দি খুলে রেখে এখানে আসুক পাক সেনা। ওদের আসল দৌড় দেখা যাবে।’

‘জম্মু-কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি’র (JAAC) তরফে সম্প্রতি রাওয়ালকোটের ফারুক-এ-আজম চকে সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছিল। সেখানেই জেএএসি প্রধান সর্দার আমন খান বলেন, পাকিস্তানের সমস্যার মূল কারণ হল বেসামরিক সংস্থাগুলিতে সেনার আধিপত্য। বেসামরিক বিষয়ে সেনাবাহিনীর প্রভাব অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত। এই উর্দিধারী আধিকারিকরা নিজেদের পদ নিয়ে অহংকারের শিখরে উঠেছে। এদের উচিত উর্দি ছেড়ে জনগণের মুখোমুখি হওয়া। যদি সাহস থাকে উর্দি ছেড়ে মানুষের সামনে আসুন, মানুষ আপনাদের শিক্ষা দেবে।

Advertisement

আসিফ মুনিরের সেনাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে সেখানকার নাগরিক সংগঠন ‘জেএএসি’ বার্তা দিয়েছে, ‘যদি সাহস থাকে উর্দি খুলে রেখে এখানে আসুক পাক সেনা। ওদের আসল দৌড় দেখা যাবে।’

শুধু তাই নয় অধিকৃত কাশ্মীরের জনগণকে ভারতের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন খান। গত কয়েক দশক ধরে ভারতের তরফে যে দাবি করা হয়েছে তাতে সিলমোহর দিয়ে খান বলেন, পাকিস্তান সেনা মুজাহিদিন তৈরির আড়ালে স্থানীয় জনগণকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে সন্ত্রাসবাদের পাঁকে ঠেলে দিয়েছে। খান বলেন, আজ যখন স্থানীয় মানুষ তাদের অধিকার এবং স্কুল ও হাসপাতালের মতো মৌলিক চাহিদা দাবি করছে, তখন তাদের দেশদ্রোহী ও দাঙ্গাবাজ আখ্যা দিয়ে গুলি করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, পাক সেনার দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে বহুদিন ধরেই সরব অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা। সম্প্রতি সেখানে নির্বাচন ঘোষণার পর পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর হয়। রাস্তায় বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন অসংখ্য প্রতিবাদী। প্রতিবাদ দমাতে চরমে পাক সেনার বর্বরতা। নারকীয় এই সমস্ত হত্যাকাণ্ডের সাফাই দিয়ে পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ বলেছেন, “আমি আজাদ কাশ্মীরের বিক্ষোভকারীদের ভারতের সমপর্যায়ে রাখি। ভারতের মতো তাঁরাও শত্রু।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.