Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Israel

ইরাকের অজান্তে তাদেরই মরুভূমিতে সেনাঘাঁটি ইজরায়েলের! মেষপালকের দৌলতে পর্দাফাঁস

ইরাক সেনা বিষয়টি তদন্তের জন্য মরুভূমিতে সেনাবাহিনী পাঠায়। তবে সেই বাহিনীকে আটকাতে পালটা বিমান হামলা চালায় ইজরায়েল। এই হামলায় এক সেনা জওয়ানের মৃত্যুর পাশাপাশি ২ জন আহত হন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০২৬, ২১:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০২৬, ২১:১৬

options
link
ইরাকের অজান্তে তাদেরই মরুভূমিতে সেনাঘাঁটি ইজরায়েলের! মেষপালকের দৌলতে পর্দাফাঁস zoom
ইরাকের অজান্তে তাদেরই মরুভূমিতে সেনাঘাঁটি ইজরায়েলের!

ইরানকে তছনছ করতে ভিন দেশে গুপ্ত সেনাঘাঁটি ইজরায়েলের! মরুভূমির ধু ধু প্রান্তরে মাসের পর মাস সামরিক তৎপরতা চললেও ঘুণাক্ষরে টের পায়নি দেশটি। এদিকে শত্রুর চোখের আড়ালে তারই উঠোনে গা ঢাকা দিয়ে একের পর এক হামলা চালিয়ে গিয়েছে নেতানিয়াহুর সামরিক বাহিনী। সম্প্রতি সামনে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। দাবি করা হয়েছে, ইরানে হামলা চালাতে ইরাকের অজান্তেই তাদের মরুভূমিতে সেনা ঘাঁটি বানিয়েছিল ইজরায়েল। এক মেষপালকের দৌলতে ফাঁস হয়েছে ইজরায়েলের এই কীর্তি।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালাতে গোপনে ইরাকের মরুভূমিতে সামরিক ঘাঁটি তৈরি করে। আমেরিকা এই ঘাঁটি সম্পর্কে অবগত হলেও এর সন্ধান আর কারও কাছে ছিল না। এখানে ছিল, ইজরায়েলের বিশেষ বাহিনী। পাশাপাশি ইজরায়েলের বিমান বাহিনীর রসদ সরবরাহ হত এখান থেকে। ইজরায়েলের বিমান দুর্ঘটনাগ্রস্ত হলে পাইলটকে সহায়তা, অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দলও এখানে মোতায়েন ছিল। ইজরায়েল থেকে ইরানের দূরত্ব হাজার মাইলেরও বেশি। তবে এই ঘাঁটির জেরে যুদ্ধে সেই দূরত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। কারণ ইরান, ইরাকের সঙ্গে নিজেদের সীমান্ত ভাগ করে।

Advertisement

ইজরায়েলের বিমান বাহিনীর রসদ সরবরাহ হত এখান থেকে। ইজরায়েলের বিমান দুর্ঘটনাগ্রস্ত হলে পাইলটকে সহায়তা, অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দলও এখানে মোতায়েন ছিল।

তবে গোপন এই ঘাঁটির সন্ধান শেষ পর্যন্ত ইরাক জানতে পেরেছিল এক মেষপালকের দৌলতে। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্চের শুরুর দিকে মরুভূমির মাঝে অস্বাভাবিক তৎপরতা নজরে আসে এক মেষপালকের। ওই অঞ্চলে অনেক নিচু দিয়ে হেলিকপ্টার উড়তে দেখেছিলেন তিনি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানালে ইরাক সেনা বিষয়টি তদন্তের জন্য সেখানে সেনাবাহিনী পাঠায়। তবে সেই বাহিনীকে আটকাতে পালটা বিমান হামলা চালায় ইজরায়েল। এই হামলায় এক সেনা জওয়ানের মৃত্যুর পাশাপাশি ২ জন আহত হন। এই ঘটনার পর আরও দুটি ইউনিটকে সেখানে পাঠায় ইরাক। তখনই জানা যায়, সংশ্লিষ্ট ওই অঞ্চলে ইজরায়েলের সামরিক ঘাঁটি ছিল।

এই ঘটনা সামনে আসার পর তৎপর হয়েছে ইরাক। দেশটির শীর্ষ সেনা আধিকারিক লেফটেন্যান্ট জেনারেল কাইস আল-মহম্মদাওয়ি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘ইজরায়েল ইরাকের অনুমতি ছাড়াই এই ধরনের বেপরোয়া অভিযান চালিয়েছে। আমাদের অনুমান ইরানের হামলার আগে থেকেই ওখানে ওই ঘাঁটি তৈরি করেছিল ইজরায়েল। ওখানে আকাশপথে যাবতীয় লজিস্টিক সরবরাহ করা হত। আমাদের চোখের আড়ালেই এই ঘাঁটি তৈরি করেছিল ইজরায়েল সেনা।’ পাশাপাশি সেনার উপর বিমান হামলার জেরে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রসংঘে অভিযোগ জানিয়েছে ইরাক। গোটা ঘটনায় আমেরিকার ঘাড়েও দোষ চাপানো হয়েছে। যদিও আমেরিকার দাবি, ওই হামলার সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই।

উল্লেখ্য, পশ্চিম ইরাকের প্রায় জনবসতিহীন বিরাট এই মরুভূমিতে গোপন সামরিক কার্যকলাপ এই প্রথমবার নয়। ১৯৯১ এবং ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর সময় এই অঞ্চলে গোপনে ঘাঁটি গেড়েছিল মার্কিন সেনাও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.