সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইদেও বিরাম নেই লড়াইয়ে। ফের মৃত্যুমিছিল গাজায়। ইজরায়েলের হামলায় প্রাণ হারালেন অন্তত ৬৪ জন। যুদ্ধে বলি নিষ্পাপ শিশুরাও। ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেসের (আইডিএফ) বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে এমনটাই জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এছাড়া দক্ষিণ গাজার রাফাতে উদ্ধার হয়েছে ১৫ জন স্বাস্থ্যকর্মীর দেহ।
দু’মাসের যুদ্ধবিরতি শেষে ফের গাজায় আগুন ঝরাচ্ছে ইজরায়েল। হামাসের ডেরা খুঁজে খুঁজে আক্রমণ শানাচ্ছে আইডিএফ। কয়েকদিন আগেই তেল আভিভের হামলায় গাজায় খতম হয় হামাসের ৩ শীর্ষ কমান্ডার। পাশাপাশি নিকেশ হয় ইসলামিক জেহাদের এক জঙ্গিও। সন্ত্রাসীদের খতম করতে ইদেও রক্তাক্ত অভিযান জারি রেখেছে ইজরায়েল। আল জাজিরা সূত্রে খবর, আজ সোমবার উত্তর থেকে গাজা সর্বত্র হামলা চালিয়েছে ইজরায়েলি সেনা। শরণার্থী শিবিরে আছড়ে পড়েছে বোমা। নিহতদের মধ্যে রাষ্ট্রসংঘের এক কর্মীও রয়েছেন। একটি শরণার্থী ক্যাম্পে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংগঠন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি।
এদিকে, ফের একবার শরণার্থী-সহ অন্যান্য প্যালেস্তিনীয়দের রাফা খালি করার নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সেনা। এই পরিস্থিতিতে ফের একবার জোরাল হচ্ছে যুদ্ধবিরতির দাবি। কিন্তু ইজরায়েলের দাবি, এখনও ৫৯ জনকে পণবন্দি করে রেখেছে হামাস। তাঁদের মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত কোনও অবস্থাতেই আর যুদ্ধবিরতি হবে না।
প্রসঙ্গত, রবিবারও ইজরায়েল হামলা চালিয়েছে গাজায়। হামলায় অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে কয়েক জন শিশুও রয়েছে। এর মধ্যেই ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ থামাতে আসরে নেমেছে কাতার ও মিশর। উভয় দেশ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু যা পরিস্থিতি তাতে ইজরায়েল আর সহজে যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটবে না বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সর্বশেষ খবর
-
ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিস খালি করার নোটিস দমকলের, আদালতের স্থগিতাদেশেও কাটছে না জট
-
নাচে-গানে হুল্লোড়! হাতি তাড়াতে মধ্যরাতে বসছে আসর, এক অন্য ছবি লালগড়ে
-
অত্যাধুনিক একে-২০৩ রাইফেলের গুলি সরবরাহ করবে আদানির সংস্থা, বিরাট চুক্তি সম্পন্ন
-
উথাল-পাথাল গঙ্গা, ভাসল ভূতনি দ্বীপের অন্তত ১৯টি গ্রাম, জলবন্দি প্রায় ২ লক্ষ মানুষ
-
দিমাগি নকশালের পর এবার ‘নারাজ ফুফা’, জিডিপি বিতর্ক উড়িয়ে বিরোধীদের তোপ মোদির