প্রথমে শোনা গিয়েছিল তিনি বেঁচেই নেই। তাঁর শেষকৃত্যের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। পরে অবশ্য তা খারিজ করে দেওয়া হয়। কিন্তু সেই থেকে শোনা গিয়েছে, ভালো নেই ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেই (Mojtaba Khamenei)। এবার জানা গেল, মোজতবার চোট অত্যন্ত গুরুতর। ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, শারীরিক ও মানসিক উভয় দিক দিয়েই বিপর্যস্ত মোজতবা। মুখ ও ঠোঁট এমন ঝলসে গিয়েছে, প্রয়োজন প্লাস্টিক সার্জারির। এমনকী সেই কারণে তিনি ভালো করে কথাই বলতে পারছেন না।
জানা গিয়েছে, বাদ পড়েছে তাঁর একটি পা-ও। তিনবার অস্ত্রোপচার করেও লাভের লাভ কিছু হয়নি। সম্ভবত সেই পায়ের পরিবর্তে প্রস্থেটিক পা বসানো হবে। এদিকে তাঁর একটি হাতেও অস্ত্রোপচার হয়েছে। সেটি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরছে। তবে এখনও সময় দরকার।
কুরসিতে বসার পর থেকে কখনওই জনসমক্ষে দেখা যায়নি মোজতবাকে। তাঁর কোনও ছবি বা ভিডিও প্রকাশ করা হয়নি। জানা যাচ্ছে, এটাও সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত। সুপ্রিম লিডার চান না চোটগ্রস্ত চেহারায় কিংবা কম্পিত কণ্ঠে দেশের আমজনতার মুখোমুখি হতে। এই মুহূর্তে খুব বিশেষ মানুষজন ছাড়া আর কারওই তাঁর সঙ্গে দেখা করার অনুমতি নেই। এদিকে মার্কিন হামলায় তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও মারা গিয়েছেন তাঁর স্ত্রী। প্রয়াত সন্তানও।
আরও পড়ুন:
মোজতবার চোট অত্যন্ত গুরুতর। ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, শারীরিক ও মানসিক উভয় দিক দিয়েই বিপর্যস্ত মোজতবা।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয়েছিল তৎকালীন সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা খামেনেই ও তাঁর পরিবারের একাধিক সদস্যের। ওই হামলাতেই গুরুতর জখম হয়েছিলেন আয়াতোল্লার পুত্র মোজতবা খামেনেই। তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হতে থাকে। অবশেষে জানা গিয়েছে, তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও সম্পূর্ণ সুস্থ হতে এখনও অনেকটা সময় লাগবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বেসরকারি স্কুলের সিকরুমে কন্ডোম! উদ্ধার লক্ষ লক্ষ টাকা, কাঁচরাপাড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য
-
আইএসএল জয় উদযাপন, শহরে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘ইস্টবেঙ্গল উত্তরাধিকার’ সমষ্টির
-
বাড়ির আইনি দখল নিতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ, হাসপাতালে তালতলার এস আই
-
‘মহান প্রধানমন্ত্রী, জ্ঞানী ব্যক্তি’, ‘দীর্ঘতম’ সময়ের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ‘বন্ধু’ মোদিকে শুভেচ্ছা ট্রাম্পের
-
বন্ধ ‘থ্রেট কালচার’, অভয়া কাণ্ডে যুক্তদের সাজা, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসে আর কী অঙ্গীকার শারদ্বতের?