Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Iran

ইজরায়েল নয়, খামেনেইকে খতম করবেন ইরানি প্রেসিডেন্ট! ক্ষমতার লড়াইয়ে জ্বলছে তেহরান

যদিও পেজেশকিয়ান প্রকাশ্যে সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে মতপার্থক্যের বিষয়টি স্বীকার করেননি। তাঁর কথায়, “আমরা আমাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। যুদ্ধে প্রত্যাঘাত করছি। এক্ষেত্রে খামেনেইয়ের উপস্থিতি আমাদের জন্য বড় শক্তির উৎস।”

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২৬, ১৬:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২৬, ১৬:৪৬

options
link
ইজরায়েল নয়, খামেনেইকে খতম করবেন ইরানি প্রেসিডেন্ট! ক্ষমতার লড়াইয়ে জ্বলছে তেহরান zoom
ইরানের অন্দরে দেখা দিয়েছে ক্ষমতার লড়াই। 
Advertisement

ইজরায়েল-মার্কিন সংঘাত আবহেই এবার ইরানের অন্দরে দেখা দিয়েছে ক্ষমতার লড়াই।  প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেইয়ের মধ্যে মতপার্থক্য ক্রমশ প্রকাশ্যে আসছে। সম্প্রতি শোনা গিয়েছিল, পেজেশকিয়ানকে ইস্তফা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন খামেনেই। এমনকী সময়সীমাও না কি বেঁধে দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানি প্রেসিডেন্ট জানালেন, খামেনেইয়ের সঙ্গে এখন যোগাযোগ করা যথেষ্ট কঠিন হয়ে গিয়েছে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের বক্তব্য, ইজরায়েল নয়, খামেনেইকে খতম করবেন খোদ ইরানি প্রেসিডেন্ট!

যদিও পেজেশকিয়ান প্রকাশ্যে সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে মতপার্থক্যের বিষয়টি স্বীকার করেননি। তাঁর কথায়, “আমরা আমাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। যুদ্ধে প্রত্যাঘাত করছি। এক্ষেত্রে খামেনেইয়ের উপস্থিতি আমাদের জন্য বড় শক্তির উৎস।” ইরানের শাসনভার গ্রহণের পর থেকে এখনও পর্যন্ত একবারও জনসমক্ষে আসেননি খামেনেই। তবে গোপন আস্তানা থেকে বিভিন্ন সময়ে তিনি বিবৃতি দিয়েছেন। গত মাসে তাঁর পিতার শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানেও তাঁকে দেখা যায়নি। আমেরিকার সঙ্গে সংঘাত আবহে তাঁর লোকচক্ষুর আড়ালে থাকার বিষয়টি নিয়ে ইরানের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনার জন্ম দিয়েছে। যদিও পেজেশকিয়ান দাবি করেছেন, তাঁর সঙ্গে খামেনেইয়ের সম্পর্ক সৌহার্দ্যপূর্ণ।

Advertisement

এদিকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বর্তমানে ক্ষমতার লড়াইয়ে জ্বলছে ইরান। দেশের শাসনভারকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে টানাপোড়েন। শুধু তাই নয়, আলোচনা ও যুদ্ধ-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে প্রেসিডেন্টের বদলে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড (আইআরজিসি)-কেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন খামেনেই। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বর্তমান সংকট ব্যক্তিগত সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের লড়াই। দেশের ভবিষ্যৎ নীতি, বিদেশনীতি এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে কার প্রভাব থাকবে, তা নিয়েই মূল দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.