Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬
Iran

শান্তিচুক্তি বানচালের নেপথ্যে ইরানের কট্টরপন্থীরা! যুদ্ধের সলতেয় আগুন দিচ্ছে মোজতবা বিরোধীরা

ইরানের রক্ষণশীল ধর্মগুরু ও আইনপ্রণেতা হামিদ রাসাই 'সর্বোচ্চ নেতৃত্বের যোগ্য কে?' শিরোনামে একটি বার্তা দেন। যেখানে নবী নূহের পুত্রের কথা উল্লেখ করে লেখেন, 'তিনি ছিলেন একজন অবিশ্বাসী এবং বিদ্রোহী কুলাঙ্গার।'

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০২৬, ২১:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০২৬, ২১:০৭

options
link
শান্তিচুক্তি বানচালের নেপথ্যে ইরানের কট্টরপন্থীরা! যুদ্ধের সলতেয় আগুন দিচ্ছে মোজতবা বিরোধীরা zoom
শান্তিচুক্তি বানচালের নেপথ্যে ইরানের কট্টরপন্থীরা!

শান্তিচুক্তির লক্ষ্যে আলোচনা জারি রয়েছে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে। একাধিকবার শোনা গিয়েছে, চুক্তির খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছে দুই দেশ। তবে শেষ মুহূর্তে বদলে যাচ্ছে সবকিছু। এহেন পরিস্থিতির মাঝেই সামনে এল এক চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট। যেখানে দাবি করা হয়েছে, ইরানের আধিকারিকরা চুক্তির পথে হাঁটতে চাইলেও সেখানে বাধা হয়ে উঠছে দেশটির কট্টরপন্থীরা। শুধু তাই নয়, মোজতবা খামেনেই সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি গোষ্ঠী। এই অবস্থাই আপসের পথে শান্তি আনলে ইরানের অন্দরেই জ্বলতে পারে আগুন।

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর একটি প্রতিবেদন অনুসারে, কোনওরকম শান্তি চুক্তির বিরুদ্ধে বিরাটভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে কট্টরপন্থীদের বড় অংশ। এই তালিকায় রয়েছেন সংসদের কিছু সদস্যের পাশাপাশি দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধিরা। আমেরিকার সঙ্গে কোনওরকম আলোচনার বিরোধিতা করে এঁরা জনসভা, সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে রাজনৈতিক চাপ বাড়িয়ে চলেছে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে চুক্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় সতর্ক হয়ে উঠেছে আমেরিকাও। শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে আধিকারিকদের সঙ্গে ২ ঘণ্টা ধরে বৈঠক করলেও ইরান ইস্যুতে এখনই কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথে হাঁটেননি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রেসিডেন্ট পেজেস্কিয়ান জানিয়েছেন, যুদ্ধের প্রথম দিনে নিহত হলেও আয়াতোল্লা খামেনেই জানিয়েছিলেন আমাদের আলোচনার টেবিলে বসা প্রয়োজন। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে, এখন আর আলোচনার জায়গা নেই।

এদিকে যুদ্ধের আগুনে হাওয়া দিতে শুরু করেছে দুই পক্ষই। সম্প্রতি ইরানের শীর্ষ নেতা বাঘের ঘালিবাফ স্পষ্ট জানান, ইরান আমেরিকাকে বিশ্বাস করে না। প্রেসিডেন্ট পেজেস্কিয়ান জানিয়েছেন, যুদ্ধের প্রথম দিনে নিহত হলেও আয়াতোল্লা খামেনেই জানিয়েছিলেন আমাদের আলোচনার টেবিলে বসা প্রয়োজন। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে, এখন আর আলোচনার জায়গা নেই। বহু শীর্ষ আধিকারিক প্রকাশ্যে আমেরিকাকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। ফলে সর্বোচ্চনেতা মোজতবা খামেনেইয়ের নেতৃত্বে একটি পক্ষ আলোচনার পথে হাঁটতে চাইলেও প্রতিহিংসার নেশায় মগ্ন কট্টরপন্থীদের বড় অংশ।

শুধু তাই নয় জানা যাচ্ছে, মোজতবা খামেনেইয়ের বিরুদ্ধেও সরব হয়ে উঠেছেন কট্টরপন্থীরা। বৃহস্পতিবার ইরানের রক্ষণশীল ধর্মগুরু ও আইনপ্রণেতা হামিদ রাসাই ‘সর্বোচ্চ নেতৃত্বের যোগ্য কে?’ শিরোনামে একটি বার্তা দেন। যেখানে নবী নূহের পুত্রের কথা উল্লেখ করে লেখেন, ‘তিনি ছিলেন একজন অবিশ্বাসী এবং বিদ্রোহী কুলাঙ্গার। ফলে পারিবারিক সম্পর্ক থাকলেই যে কেউ ধার্মিক হবে, এমনটা নয়।’ আক্রমণের তীর যে মোজতবার দিকে ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সবমিলিয়ে একটি অংশ আমেরিকার সঙ্গে শান্তির পথে হাঁটতে চাইলেও ইরানের আর একটি অংশ শান্তিকে ছুড়ে ফেলে যুদ্ধেই আগ্রহ দেখাচ্ছে। এই অবস্থায় চুক্তির লক্ষ্যে ইরান কোনওরকম আপসের পথে হাঁটলে ইরানের অভ্যন্তরে বিদ্রোহ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক। যার জেরেই চুক্তি সইয়ের জায়গা থেকে পরিস্থিতি অনেকটাই দূরে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.