যুদ্ধ থামাতে নারাজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তাঁর স্পষ্ট হুঙ্কার, ”আলোচনায় বসা যেতেই পারে। কিন্তু আমি যুদ্ধবিরতি চাই না।” তাঁর দাবি, যুদ্ধে (Iran War) প্রায় জিতেই গিয়েছে আমেরিকা। সেই সঙ্গেই তাঁর দাবি, ইরানের সেনার বায়ুসেনা ও নৌসেনা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মার্কিন আঘাতে। এই অবস্থায় যুদ্ধ থামাতে তিনি রাজি নন।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন ট্রাম্প। আর তখনই তাঁকে বলতে শোনা যায়, ”ওদের নৌসেনা নেই। বায়ুসেনাও নেই। ওদের কাছে অস্ত্রই নেই। দেখুন, আলোচনায় বসা যেতেই পারে। কিন্তু আমি যুদ্ধবিরতি চাই না। যখন আপনি প্রতিপক্ষকে প্রায় কাবু করেই ফেলেছেন তখন কেনই বা তা চাইতে যাবেন! আমার মতো মনে হচ্ছে আমরা জিতেই গিয়েছি।”
আরও পড়ুন:
পরে নিজস্ব সোশাল মিডিয়া ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প দাবি করেন, আমেরিকা তাদের লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছেই গিয়েছে। তিনি লেখেন, ‘আমরা আমাদের লক্ষ্য অর্জনের অত্যন্ত কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছি। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থাকে শেষ করে আমাদের বিরাট সামরিক কর্মকাণ্ড শেষ করার দিকটি বিবেচনা করা হচ্ছে।’
দেখতে দেখতে প্রায় তিন সপ্তাহ হয়ে গিয়েছে ইরানে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের মাটিতে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। তছনছ হয়ে যায় তেহরান-সহ ইরানের একাধিক অঞ্চল। হামলায় মৃত্যু হয় আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। সেই সংঘাতের রেশ চলছে এখনও। যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে মধ্যপ্রাচ্য। প্রশ্ন উঠছে, এহেন যুদ্ধে কি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কি কিছুটা একলা হয়ে পড়েছেন? ন্যাটোর সদস্য দেশগুলির প্রতি তাঁর সাম্প্রতিক বিষোদ্গার যেন সেদিকেই ইঙ্গিত করছে। তাঁর দাবি, ইরানের সঙ্গে আমেরিকার এই যুদ্ধ আসলে পরমাণু শক্তিধর এক দেশকে থামানোর লড়াই। কিন্তু সেই লড়াইয়ে শামিল হতে চাইছে না ন্যাটোর সদস্য দেশগুলি। অথচ তেলের দাম বাড়া নিয়ে তারা অভিযোগ জানিয়ে চলেছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘পাকিস্তানি হিন্দুদের সহ্য করি’, পাক প্রেসিডেন্টের মন্তব্যকে ‘অসংবেদশীল’ কটাক্ষ জাভেদ আখতারের
-
সাভারকর মন্তব্যে রাহুলের বিরুদ্ধে ‘অহেতুক’ মামলা, গবেষককে জরিমানা করল আদালত
-
আন্তর্জাতিক স্তরে সাফল্যের পর এবার ডুরান্ডের যুদ্ধ, আর্মিকে হালকাভাবে নিচ্ছে না ইস্টবেঙ্গল
-
রাজসাক্ষী হতে চেয়েও রেহাই নেই! জয় কামদারের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতির নয়া অভিযোগ
-
ইউটিউব শর্টসে সরল ‘ডিসলাইক’ চিহ্ন! মতপ্রকাশের অধিকার কেড়ে নেওয়ার কৌশল?