Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Donald Trump

মধ্যপ্রাচ্যে ৩ মার্কিন রণতরী, ইরানের কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে ট্রাম্প বললেন, ‘আলোচনার জন্য প্রস্তুত’

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, "ইরানের পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে শুরু করেছে। ওদের জলসীমার পাশেই আমাদের বিশাল নৌবহর পৌঁছে গিয়েছে। যা ভেনেজুয়েলার চেয়েও বড়।"

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ১৭:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ১৭:৫২

options
link
মধ্যপ্রাচ্যে ৩ মার্কিন রণতরী, ইরানের কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে ট্রাম্প বললেন, ‘আলোচনার জন্য প্রস্তুত’ zoom
ফাইল ছবি

মধ্যপ্রাচ্যে ফের বেজে উঠেছে যুদ্ধের দামামা। ইরানকে ‘সবক শেখাতে’ বিমানবাহী রণতরী ও যুদ্ধবিমান-সহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম নতুন করে বহাল করেছে ওয়াশিংটন। ইরানকে কার্যত ঘিরে ফেলে, বলা ভালো তেহরানের কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে এবার ‘নরম সুরে’ বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। জানালেন, ‘আমেরিকা আলোচনার জন্য প্রস্তুত। এবং আমরা জানি, ইরানও চুক্তি করতে চায়।’

ইরানের সঙ্গে সংঘাত পরিস্থিতির মাঝেই সম্প্রতি এক মার্কিন সংবাদমাধ্যম দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “ইরানের পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে শুরু করেছে। ওদের জলসীমার পাশেই আমাদের বিশাল নৌবহর পৌঁছে গিয়েছে। যা ভেনেজুয়েলার চেয়েও বড়।” এরপরই নরম সুরে ট্রাম্পের বার্তা, “ইরান আমাদের সঙ্গে চুক্তি করতে চায়। ওরা বহুবার আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আসলে ওরা চাইছে কথা বলতে।” এদিকে ট্রাম্পের বার্তার পরই ইরানের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে পেন্টাগনের এক শীর্ষকর্তা বলেন, “আমরা ইরানের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত।”

Advertisement

তবে সেই আলোচনায় আমেরিকার তরফে ইরানের উপর কী শর্ত চাপানো হবে তা নিয়ে স্পষ্ট করে অবশ্য কিছুই জানানো হয়নি। তবে ওই আধিকারিক জানান, “ইরান জানে আমাদের শর্ত কী।” ওই আধিকারিকের তরফে কিছু না জানানো হলেও চলতি মাসেই আমেরিকার তরফে জানানো হয়েছিল, ইরান যদি তাদের মজুত ইউরেনিয়াম নষ্ট করে ফেলে তা হলে আলোচনা হতে পারে। একইসঙ্গে দূরপাল্লার মিসাইল মজুত কমানো এবং হিজবুল্লাহর মতো জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহারের শর্তও দেওয়া হয়েছ ইরানকে। যদিও এই শর্ত ইরান মানবে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেও মনে করা হচ্ছিল,  ইরানে যুদ্ধের মেঘ কেটে গিয়েছে। সরকারবিরোধী আন্দোলনে নামা আটশোর বেশি বিদ্রোহীর মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেও তা রদ করেছিল তেহরান। এরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। মনে করা হচ্ছিল এবার বোধহয় চূড়ান্ত পদক্ষেপের থেকে সরে আসবে আমেরিকা। তবে সে ভুল ভেঙে পশ্চিম এশিয়ায় বিরাট নৌবহর পাঠিয়েছে আমেরিকা। ৩ রণতরীর পাশাপাশি বিপুল সেনা ও এয়ারক্রাফট পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি যে পথে এগোচ্ছে তাতে ফের ভয়ংকর যুদ্ধের আশঙ্কা করছে কূটনৈতিক মহল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.