Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Iran

ইউরোপের সেনা মানেই সন্ত্রাসবাদী! ইরানের সংসদে হুঙ্কার স্পিকারের

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার রবিবার বলেছেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র এবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের সামরিক বাহিনীকে সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করবে। দেশব্যাপী বিক্ষোভের উপর রক্তক্ষয়ী দমন-পীড়নের জন্য দেশের আধাসামরিক বিপ্লবী গার্ডকে সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা করে ইউরোপ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ১৩:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ১৩:৫২

options
link
ইউরোপের সেনা মানেই সন্ত্রাসবাদী! ইরানের সংসদে হুঙ্কার স্পিকারের zoom
ফাইল ছবি।

যুদ্ধের মেঘ মধ্যপ্রাচ্যে। ইরানের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনায় জড়িয়েছে আমেরিকা। মধ্যপ্রাচ্যে বিরাট সামরিক মহড়া করতে চলেছে আমেরিকা। বায়ুসেনার এই যুদ্ধ মহড়াকে নেতৃত্ব দেবে পারমাণু শক্তিচালিত মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন। এই অবস্থায় ফের হুঙ্কার ইরানের। ইউরোপের সামরিক বাহিনীকে সন্ত্রাসবাদী দলের সঙ্গে তুলনা ইরানের নেতৃত্বের।

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার রবিবার বলেছেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র এবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের সামরিক বাহিনীকে সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করবে। দেশব্যাপী বিক্ষোভের উপর রক্তক্ষয়ী দমন-পীড়নের জন্য দেশের আধাসামরিক বিপ্লবী গার্ডকে সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা করে ইউরোপ। এরপরেই এই মন্তব্য করেছে ইরান।

Advertisement

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, মহম্মদ বাঘের কালিবাফের এই ঘোষণা মূলত প্রতীকী হতে চলেছে। ২০১৯ সালের একটি আইনকে হাতিয়ার করে ইরান অন্যান্য দেশের সামরিক বাহিনীকে সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী ঘোষণা করেছে। এই ঘোষণা করার সময় ইসলামিক গার্ডের সমর্থনে তাঁদের পোশাক পরে কালিবাফ এবং অন্যান্যরা পার্লামেন্টে আসেন। এই গার্ড ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অস্ত্রাগারও নিয়ন্ত্রণ করে। এই ঘোষণার পরেই ইরানের পার্লামেন্টে আওাজ ওঠে, ‘আমেরিকা নিপাত যাক, ইসরায়েল নিপাত যাক।’

গত মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যে বায়ুসেনার যুদ্ধ মহড়ার ঘোষণা করে আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ডের তরফে জানানো হয়েছে, এই মহড়ার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিমান মোতায়েন, বিস্তার ও নিখুঁত হামলা চালানোর দক্ষতা প্রদর্শিত হবে। একইসঙ্গে আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় ও সংকট মোকাবিলার প্রস্তুতিই এই মহড়ার মূল উদ্দেশ্য। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেও মনে করা হচ্ছিল, ইরানে যুদ্ধের মেঘ কেটে গিয়েছে। সরকারবিরোধী আন্দোলনে নামা আটশোর বেশি বিদ্রোহীর মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেও তা রদ করেছিল তেহরান। এরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। মনে করা হচ্ছিল এবার বোধহয় চূড়ান্ত পদক্ষেপের থেকে সরে আসবে আমেরিকা। তবে সে ভুল ভেঙে পশ্চিম এশিয়ায় বিরাট নৌবহর পাঠিয়েছে আমেরিকা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.