Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Hormuz

ব্যারেল পিছু ১ ডলার, হরমুজে জ্বালানিবাহী জাহাজে ‘টোল ট্যাক্স’ ইরানের! লেনদেন ক্রিপ্টোতে

জাহাজের উপর নজরদারি চালানোর পাশাপাশি তাদের নিয়ন্ত্রণ করবে ইরান। প্রতিটি জাহাজকে জানাতে হবে তার পেটে কী ধরনের পণ্য রয়েছে। তথ্যে সন্তুষ্ট হলে তবেই মিলবে ছাড়পত্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ০৯:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ০৯:৫৪

options
link
ব্যারেল পিছু ১ ডলার, হরমুজে জ্বালানিবাহী জাহাজে ‘টোল ট্যাক্স’ ইরানের! লেনদেন ক্রিপ্টোতে zoom
হরমুজে টোল ট্যাক্স ইরানের।

হরমুজ পার হতে এখন থেকে মোটা অঙ্কের টোল ট্যাক্স দিতে হবে জ্বালানিবাহী জাহাজগুলিকে। জানা যাচ্ছে, অবাধ যাতায়াতে দাঁড়ি টেনে জ্বালানিবাহী জাহাজ থেকে ব্যারেল পিছু নেওয়া হবে এক ডলার করে। সূত্রের খবর, এই প্রক্রিয়া কার্যকর করতে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছে ইরান। আরও জানা যাচ্ছে ক্রিপ্টো কারেন্সিতে নেওয়া হবে এই অর্থ।

আমেরিকার সঙ্গে সংঘর্ষ বিরতি নিয়ে আলোচনার মাঝেই জানা যাচ্ছিল এখন থেকে হরমুজ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের উপর শুল্ক চাপাতে চলেছে ইরান। এরপরই আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, হরমুজ দিয়ে যাতায়াত করা সমস্ত জাহাজের উপর নজরদারি চালানোর পাশাপাশি তাদের নিয়ন্ত্রণ করবে ইরান। প্রতিটি জাহাজকে জানাতে হবে তার পেটে কী ধরনের পণ্য রয়েছে। তথ্যে সন্তুষ্ট হলে তবেই মিলবে ছাড়পত্র। ইরানের আধিকারিক হামিদ হোসেন বলেন, এই পদক্ষেপ এই জন্য করা হচ্ছে যাতে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে এই পথ দিয়ে অস্ত্রের আমদানি না হয়। জাহাজগুলিকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে ঠিকই, কিন্তু গোটা প্রক্রিয়া চালানো কিছু সময় সাপেক্ষ বিষয়। আর ইরানের বিশেষ তাড়া নেই।

Advertisement

জ্বালানি তেলের ব্যারেল পিছু ইরানকে দিতে হবে এক ডলার। এবং এই অর্থ বিট কয়েনের মতো ক্রিপ্টো কারেন্সির মাধ্যমে পাঠাতে হবে ইরানকে।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই প্রক্রিয়ায় প্রতিটি জাহাজকে ইমেলের মাধ্যমে জাহাজে থাকা পণ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেশ করতে হবে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে ইরান জাহাজের উপর চাপাবে শুল্ক। সেক্ষেত্রে জ্বালানি তেলের ব্যারেল পিছু ইরানকে দিতে হবে এক ডলার। এবং এই অর্থ বিট কয়েনের মতো ক্রিপ্টো কারেন্সির মাধ্যমে পাঠাতে হবে ইরানকে।

উল্লেখ্য, সংঘর্ষবিরতির পথে হাঁটলেও যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বিশাল। ইরানের তরফে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, হরমুজ প্রণালী থেকে যাতায়াত করা জাহাজগুলি থেকে সংগৃহীত অর্থ যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনে ব্যবহার করা হবে, কারণ এই সংঘাত দেশটির প্রতিরক্ষা, প্রশাসনিক ও বেসামরিক পরিকাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে। সেই লক্ষ্যেই এবার প্রস্তুতি শুরু ইরানের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.