‘ছোট্ট লড়াই’ বলে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ (Iran War) শুরু করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে একমাস পেরিয়ে গেলেও যুদ্ধ থামার নাম নেই, বরং উত্তরোত্তর তা আরও গুরুতর আকার নিয়েছে। এবার ইজরায়েলের (Israel) ড্রোনের আঁতুড়ঘরে মারণ হামলা চালাল ইরান। ড্রোন কারখানায় হামলার কথা ইজরায়েল আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার না করলেও ড্রোন নির্মাণ সংস্থার তরফে এ কথা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। সংস্থার সিইও জানিয়েছেন, ইরানের হামলা কারখানা পুরোপুরি ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছে।
জানা গিয়েছে, ইজরায়েলের রাজধানী তেল আভিভ থেকে মাত্র ১১ কিলোমিটার দূরে পেতাহ টিকভা শহরে ছিল এই ড্রোন কারখানা। যা পরিচালনার দায়িত্বে ছিল ‘এরো সোল এভিয়েশন সলিউশন’। জানা যাচ্ছে, ড্রোন নির্মাণের পাশাপাশি এই কারখানায় তৈরি করা হত যুদ্ধবিমানের পাইলটদের হেলমেট, বোমা তৈরির সরঞ্জাম-সহ অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম। ইজরায়েল সেনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পণ্য প্রস্তুতকারী এই সংস্থায় ইরানের হামলা দেশটির জন্য বিরাট ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
ড্রোন নির্মাণের পাশাপাশি এই কারখানায় তৈরি করা হত যুদ্ধবিমানের পাইলটদের হেলমেট, বোমা তৈরির সরঞ্জাম-সহ অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম।
সংস্থাটির সিইও ইজরায়েল ভ্যাসেরলফ বলেন, অত্যন্ত গোপনে এই কারখানায় তৈরি হত সামরিক যন্ত্রপাতি ও ড্রোন। সেভাবে কেউই এর অস্তিত্বের কথা জানত না। ফলে সুপরিকল্পিতভাবে এই কারখানার উপর ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। তবে কীভাবে তারা কারখানার সন্ধান পেল তা ভেবে পাচ্ছে না নিয়ে সংশয়ে ইজরায়েলের গোয়েন্দারা। সংস্থার সিইও আরও জানান, “ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় গোটা কারখানা কার্যত ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। সব শেষ। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এতটাই যে নতুন করে সেখানে কারখানা গড়ে তোলা সম্ভব নয়।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
যৌনগন্ধী মন্তব্য বিতর্ক অতীত, জন্মদিনে প্রেমিকার সঙ্গে মহাকালের দরবারে ‘শাপমোচন’ রণবীরের
-
বিশ্বকাপের আগে মেসির মুকুটে নতুন পালক, প্রথম ফুটবলার হিসাবে জিতলেন এই পুরস্কার
-
কলকাতা পুরসভা বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা! ১৯ জুন অধিবেশনের ডাক ‘পুরনো তৃণমূলে’র
-
আইসক্রিম ভেবে ‘ক্ষতিকর’ ফ্রোজেন ডেজার্ট খাচ্ছেন না তো? পার্থক্য না বুঝলেই মুশকিল
-
মমতার দুর্দিনে বেসুরে গাইছেন বাবুলও! রাজনীতিতে সবই ন্যায্য দেখছেন সুপ্রিয়?